মুকিম আহমাদ ।। মালয়েশিয়া থেকে
মালয়েশিয়ার সাইবার জায়ার একটি প্রাইভেট কলেজ থেকে ১০০০ বাংলাদেশী ছাত্র নিখোঁজ। জানালেন ইমিগ্রেশন প্রধান ডাতো’ক মোস্তফার আলী।
এক প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি জানান, সম্প্রতি ইমিগ্রেশনের একটি রেকর্ড অনুসন্ধান করে জানতে পারেন যে ২০১৫ সনে ১০৩৫ জন বাংলাদেশী ছাত্র ওই কলেজের স্টুডেন্টভিসা নিয়ে মালয়শিয়ায় প্রবেশ করে। সিঙ্গেল ‘এন্ট্রিভিসা’য় প্রবেশের তিন মাস পর তারা আর বছর-মেয়াদী ভিসা নবায়ন করেনি। কলেজ কর্তৃপক্ষও ইমিগ্রেশনকে অবগত করেনি। শাস্তিস্বরূপ কলেজটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়।
উল্লেখ্য, এই সংবাদে তোলপাড় চলছে দেশটির গণমাধ্যমে। বিরক্ত সাধারণ নাগরিকরাও।
বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে দেশটির পুলিশপ্রধান তানশ্রী মুহাম্মাদ ফুজি হারুন বলেন, পুলিশের তথ্য অনুযায়ী নিরুদ্দেশ ছাত্রদের ঘটনাটি ভিন্ন কোন ঘটনা নয়। এই ছাত্ররা স্টুডেন্টভিসার অপব্যবহার করে মালয়শিয়ায় প্রবেশ করে কাজের উদ্দেশ্যে। বাংলাদেশ ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আফ্রিকাসহ ৭০টি দেশের ছাত্ররা মালয়শিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসায় প্রবেশ করে।
প্রসঙ্গত, মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, বাংলাদেশী ছাত্রদের ভিসা প্রদানে তারা এখন খুব সতর্ক। কিছু কলেজে বাংলাদেশী ছাত্রদের ভর্তি নিষিদ্ধ।
এ ঘটনার জের ধরে প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে বিরাজ করছে ক্ষোভ ও বিব্রতবোধ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরুদ্দেশ ছাত্রদের গ্রেপ্তারে জনসাধারণের মাঝে বৃদ্ধি করা হচ্ছে সচেতনতা ও সর্তকতা।
প্রতিবেদককে কয়েকজন প্রবাসী জানালেন, তাদের কাছে মালয়শিয়ার স্থানীয় জনসাধারণ তাদের ভিসার ব্যাপারেও জানতে চেয়েছে। তারাও পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য খোঁজ করছে নিরুদ্দেশ ছাত্রদের।
















