‘জোটগতভাবে ১৪ দল ও জাতীয় পার্টি নির্বাচন করবে। জোটগতভাবে সরকারও গঠন করা হবে। এ ব্যাপারে সংলাপে আলোচনা হয়েছে, বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, আইনসম্মতভাবে, সংবিধান সম্মতভাবে নির্বাচন হবে। এ বিষয়ে ১৪ দল ও জাতীয় পার্টি একমত। তবে আসন বণ্টনের বিষয়ে ১৪ দল ও জাতীয় পার্টির সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনও আলোচনা হয়নি বলে তিনি জানান।
সোমবার রাত সোয়া ৯টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতীয় পার্টি নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত জাতীয় জোটের সংলাপ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিকে জাতীয় পার্টির নেতা জি এম কাদের বলেছেন, সংলাপে সুনির্দিষ্ট কোনও দাবি জানাইনি আমরা। সংবিধানের আলোকেই নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি।
এর আগে সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয় থেকে ৩৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল গণভবনের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এ সংলাপ শুরু হয়।
সংলাপে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে অংশ নেবেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, এমএ ছাত্তার, কাজী ফিরোজ রশীদ, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসন খান, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাহিদুর রহমান, শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ফখরুল ইমাম, মজিবুল হক চুন্নু, সালমা ইসলাম, সুনীল শুভরায়, এসএম ফয়সল চিশতী, মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, মসিউর রহমান রাঙা, আজম খান, সোলায়মান আলম শেঠ, আতিকুর রহমান আতিক, মেজর (অব.) খালেদ আক্তার, সফিকুল ইসলাম সেন্টু, শামীম হায়দার পাটোয়ারী। জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা, নুরুল ইসলাম ওমর।
জাতীয় পার্টির শরিক দলগুলোর নেতাদের মধ্য থেকে ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মাওলানা এমএ মান্নান, মহাসচিব এমএ মতিন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব জালাল আহমেদ, জাতীয় ইসলামী মহাজোটের চেয়ারম্যান আবু নাসের ওয়াহেদ ফারুক, বিএনএর চেয়ারম্যান সেকেন্দার আলী মনি।
এর আগে সংলাপ চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠি দেন জাতীয় পার্টি নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত জাতীয় জোটের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। প্রধানমন্ত্রী সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তাদের গণভবনে আমন্ত্রণ জানান।
















