ইসলাম টাইমস ডেস্ক : রাজশাহীতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত সমাবেশে যোগদান করতে সরকার বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে বলে অভিযোগ করছে জোটের নেতারা। সমাবেশ সামনে রেখে রাজশাহী বিভাগের জেলায় জেলায় গত দুইদিন গ্রেফতার অভিযান চলছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তবে সব বাধা উপেক্ষা করেই রাজশাহী শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে জড়ো হচ্ছে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। বিভিন্ন জেলা থেকে রাজশাহী অভিমুখে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় সমাবেশে যোগ দিতে বিকল্প পথে বেছে নিয়েছেন লোকজন। নৌকা, ট্রেন বা ছোট ছোট যানবাহন ব্যবহার করে আসছেন অনেকে।
পদ্মার পাড়, চিড়িয়াখানা, ঈদগাহ মাঠ, রেল স্টেশন, রাজশাহী বিশ্ব বিদ্যালয়সহ শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট খণ্ড খণ্ড আকারে নেতাকর্মীদের জড়ো হতে দেখা গেছে। রাজশাহী ও আশপাশের জেলায় পরিবহন বন্ধ থাকায় নেতাকর্মীদের আসতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে।
তবে সব প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে ট্রেন, মাইক্রো এবং নৌকা যোগে চলে এসেছেন রাজশাহীতে। অনেকে দুই তিনদিন আগেই সমাবেশে যোগ দেয়ার উদ্দেশ্যে শহরে এসে অবস্থান করছেন।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে রাজশাহী বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। রাজশাহী বিএনপি নেতা ও চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু জানান, রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ থেকে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সরকার পতনের গণআন্দোলনের আহবান আসবে।
নতুন এ রাজনৈতিক জোট আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিভাগীয় শহরগুলোতে জনসভা করছে। সিলেট, চট্টগ্রাম, ঢাকার পর চতুর্থ জনসভাটি হচ্ছে আজ রাজশাহীতে।
দুপুর ২টা থেকে ৫টার মধ্যে জনসভা শেষ করতে হবে, মিছিল নিয়ে সভায় যোগ দেয়া যাবে না, মাঠের বাইরে মাইক দেয়া যাবে না, বিশৃঙ্খলা হয় এমন কিছু করা যাবে না, রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দেয়া যাবে না প্রভৃতি ১২ টি শর্তে জনসভার অনুমতি পেয়েছে ঐক্যফ্রন্ট।
সমাবেশে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেএসপির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, কৃষক শ্রমিক জনতালীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীসহ ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।
তবে জানা গেছে ড. কামাল হোসেন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি নাও আসতে পারেন।
















