পুলিশই এখন ইজতেমা মাঠের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও মুসল্লি

আতাউর রহমান খসরু ।।

গত ১ ডিসেম্বর টঙ্গীর ইজতেমার মাঠের দখল নিতে সাধারণ তাবলিগি সাথী ও মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকদের উপর ভয়াবহ হামলা চালায় সাদপন্থী সন্ত্রাসীরা। এতে আহত হয় ৫ হাজারেরও বেশি মানুষ এবং নিহত হয় ১ জন। রক্তক্ষয়ী এই হামলার পর মাঠের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে পুলিশ।

এরপর থেকে গত ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত টঙ্গীর ইজতেমার মাঠে অবস্থিত টিনশেড মসজিদের আজান ও নামাজ বন্ধ ছিলো বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় সাধারণ দ্বীনদার মুসল্লিরা। উত্তরা ও টঙ্গীর স্থানীয় আলেমরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আজান ও নামাজ চালুর দাবি জানান।

উলামায়ে কেরামের দাবির প্রেক্ষিতে টঙ্গীর টিনশেড মসজিদে আজান ও নামাজ চালু হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে সেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশের অনুমতি না থাকায় টিনশেড মসজিদের আজান, ইকামত ও নামাজের ইমামতি সবই করছেন পুলিশ সদস্যরা। দায়িত্বরত পুলিশের মধ্যে যারা তুলনামূলক দ্বীনদার তারাই এই গুরু দায়িত্বপালন করছেন।

তবে মাঠে ফেলা আসা সামানা (মালপত্র) নিতে আসা আলেম বা তাবলিগি সাথীরাও কখনও কখনও নামাজের ইমামতি করছেন এবং জামাতে শরিক হচ্ছেন।

টঙ্গীর ইজতেমা মাঠের এই মসজিদে আগে কয়েক হাজার মানুষ নামাজ আদায় করলেও এখন সেখানে মুসল্লি হচ্ছে ৫ থেকে ১০ জন। কখনও বা আরেকটু বেশি। তবুও স্বস্তির বিষয় হলো আল্লাহর ঘরে তার নামে আজান এবং নামাজ চালু হয়েছে।

টঙ্গী দারুল উলুমের প্রিন্সিপাল মুফতি মাসউদুল করিম আজান ও নামাজ চালু হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তবে তিনি আজান ও ইমামতির জন্য একজন হক্কানি আলেমকে সেখানে প্রবেশের অনুমতি দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন।

পূর্ববর্তি সংবাদসেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় : চরমোনাই পীর
পরবর্তি সংবাদটঙ্গীতে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে কুলিয়ারচরে বিক্ষোভ