সাংবাদিক সম্মেলন : টঙ্গীতে ৫ হাজার আহত, এখনও থামেনি সাদপন্থীদের নৃশংসতা

নিজস্ব প্রতিবেদক : টঙ্গীর ইজতেমার মাঠে মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক ও সাধারণ তাবলিগি সাথীদের উপর সাদপন্থী সন্ত্রাসী হামলায় আহতদের নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ দুপুর ২ টা থেকে ৩টা পর্যন্ত ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এই সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

সাংবাদিক সম্মেলনে টঙ্গীর ঘটনার প্রকৃত বিবরণ তুলে ধরতে আহতদের উপস্থিত করা হয় এবং ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে সাদপন্থীদের মিথ্যাচারের জবাব দেয়া হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে মূল বক্তব্য পেশ করেন ভিক্টোরিয়া পার্ক মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আমানুল হক।  তিনি বলেন, ‘সাদপন্থীরা মিথ্যাচার করছে যে, ভেতর থেকে প্রথম পাথর মারা হয়। কিন্তু আপনারা ভিডিও দেখলে বুঝতে পারবেন ভেতর থেকে নয়; বাহির থেকেই প্রথম পাথর নিক্ষেপ করা হয়েছিলো।’

টঙ্গীর ঘটনায় ৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয় বলে দাবি করে মাওলানা আমানুল হক বলেন, ‘আমাদের কাছে ২ হাজারের বেশি মানুষের তালিক এসে পৌঁছেছে। আমাদের ধারণা ৫ হাজারের বেশি মানুষ এতে আহত হয়েছেন।’

তিনি দাবি করেন, টঙ্গীর মাঠে হামলার পর বিভিন্ন সাথীদের পুনরায় হামলা চালানো হয় এবং এখনও বিভিন্ন জায়গায় তাদের নৃশংসতা অব্যাহত রয়েছে। এ সময় পুরান ঢাকার দুই আহত সাথী হাম্মাদ ও ইসমাইলকে উপস্থিত করা হয় যাদের উপর পরবর্তীতে হামলা চালানো হয়।

সাংবাদিক সম্মেলন মাওলানা আমানুল হক ঘটনার বিবরণে আরও বলেন, ‘টঙ্গীর মাঠে অবস্থিত মাদরাসার শিশুদের উপর নির্দয় ও নির্মমভাবে হামলা করা হয়। তাদের তুরাগ নদীর পানিতে নামিয়ে পেটানো হয়। মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা এমদাদ ও মাওলানা আবদুর রহিমকে (সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত) গুরুতরভাবে আহত করা হয়।’

তার ভাষ্যমতে হামলার পূর্বে রাতে সাদপন্থীরা মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদের মাঠে অবস্থান ও পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

মাওলানা আমানুল হক সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে টঙ্গীর ইজতেমার মাঠ উলামায়ে কেরামের হাতে তুলে দেয়া, অভিযুক্তদের বিচার, মূল হোতাদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মাওলানা নূরুল ইসলাম জিহাদী ও মাওলানা জহির ইবনে মুসলিম।

পূর্ববর্তি সংবাদফেসবুকে গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পরবর্তি সংবাদঅরিত্রীর আত্মহত্যা : যেভাবে প্রভাবিত হয় সমাজ