সৈয়দ শামছুল হুদা : আজ শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) বাদ জুমা ইজতেমা ময়দানে তথাকথিত সাদ অনুসারী কর্তৃক ইজতেমার নিরীহ তাবলিগি সাথী, আলেম-উলামা ও ছাত্রদের উপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদে স্মরণকালের বৃহত্তম প্রতিবাদসভা টঙ্গীর কলেজগেইটে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন টঙ্গী দারুল উলুম মাদরাসার প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মুফতী মাসউদুল করীম।
স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক বিভিন্ন প্রকার হুমকি ধমকি উপেক্ষা করে বাদ জুমআ টঙ্গীর প্রতিটি মসজিদ থেকে হাজার হাজার মুসল্লি রাজপথে নেমে আসেন। মাওলানা সাদ-এর অন্ধ অনুসারীরা যেভাবে দাওয়াত ও তাবলিগের মেহনতকে গোটা জাতি ও দেশের মানুষের কাছে কলঙ্কিত করেছে তার বিচার চাইতেই এই বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা।
মাওলানা সাদ-এর অন্ধ অনুসারী ওয়াসিফ-নাসিম গংদের অবিলম্বে গ্রেফতার দাবী জানিয়ে প্রতিবাদ সভায় আলেমগণ বলেন, অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করুন। অন্যথায় উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
মাসউদুল করীম বলেন, প্রশাসনকে আগামী সোমবার পর্যন্ত সময় দেওয়া হলো। সোমবারের মধ্যে ইজতেমা ময়দান আলেম-উলামাদের হাতে ছেড়ে দিতে হবে। মঙ্গলবার দিন আল্লামা আহমদ শফী দা.বা. দেশের সকল শীর্ষ আলেমদেরকে ডেকেছেন। এরপর এমন কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবো যা সামাল দেওয়া প্রশাসনের পক্ষে সম্ভব হবে না। আগামী শুক্রবার ইজতেমা মাঠে পুর্বের ন্যায় শবগুজারি চালু করতে হবে।
উপস্থিত জনতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমাদের কাছে খবর আছে, গত শুক্রবার রাতে টঙ্গীর কোন কোন মসজিদে তথাকথিত এতাতিরা আশ্রয় নিয়েছিল। সেই সকল মসজিদ কমিটিকে হুশিয়ার করে বলছি, অবিলম্বে এসব সাদের আস্তানা বন্ধ করতে হবে। টঙ্গীতে কোন অবস্থাতেই সাদ এর অনুসারীদের সহ্য করা হবে না। প্রশাসনের কেউ চাইলে তাদেরকে টঙ্গীর বাইরে জায়গা দিতে পারে।
তিনি আরো বলেন, টঙ্গী আর দশটি জায়গার মতো নয়। এর সুনাম সুখ্যাতি সারাবিশ্বব্যাপী। টঙ্গীর আলেমদের বিরুদ্ধে কখনোই কোন মামলা হয়নি। ইজতেমা ময়দানের ঘটনা নিয়ে কোন প্রকার হয়রানির চেষ্টা করা হলে তা তৌহিদী জনতাকে সাথে রুখে দেওয়া হবে। সমাবেশে শনিবার দিনে প্রশাসনের নিরব ভূমিকারও নিন্দা করা হয়।
দুআর মাধ্যমে এই বিশাল প্রতিবাদ সভা সুন্দর ও নিরাপদে শেষ হয়।
















