শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া নিয়ে আ.লীগ -বিএনপি সংঘর্ষ: আহত ২২

শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় উভয় গ্রুপের ২২ জন আহত হয়েছে।

রবিবার সকালে বাঘাইছড়ি উপজেলা মাঠে শহীদ মিনার চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে আহতরা বাঘাইছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাঘাইছড়ি উপজেলা মাঠে শহীদ মিনার চত্বরে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে এসে তাদের উদ্দেশ্য করে রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী বলে স্লোগান দিতে শুরু করে। এসময় বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করলে উভয় গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার ইট-পাটকেল নিক্ষেপে আওয়ামী লীগের ৫ জন নেতাকর্মীসহ বিএনপির ১৭ নেতাকর্মী মারাত্মক আহত হয়। আওয়ামী লীগের আহতরা হলেন- মো. শাহাদাত হোসেন (২০), আব্দুর রহমান (২১), আব্দুল কাদের (১৯), জাহিদুল ইসলাম (২২) ও মো. জালাল উদ্দিন খান।

এ ঘটনায় বিএনপির আহতরা হলে- মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন বাবু, মো. জসিম উদ্দিন, মো. ফারুক হোসেন, মো. হুমায়ুন রশীদ মো. রবিউল আলম মো. নুর কবির, মো. ইলিয়াস হোসেন, মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, মো. আলমগীর হোসেন, মোহাম্মদ আব্দুল করিম, মো.ইকবাল হোসেন, মো. রবিউল হোসেন, মোহাম্মদ মোহর আলী, মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ খান, মোহাম্মদ মোক্তার হোসেন।

বাঘাইছড়ি থানার কর্মকর্তা (ওসি) এম. এ. মঞ্জর এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ফুল দেওয়ার পর বাঘাইছড়ি উপজেলা মাঠের একপাশে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বেশ কয়েকজন আহত হয়। তবে তেমন মারাত্মকভাবে কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি। আহতদের মধ্যে অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছে। বাকি কয়েকজন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। সাময়িকভাবে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে এঘটনায় থানায় এখনো কোন মামলা হয়নি।

পূর্ববর্তি সংবাদচীনে খ্রিস্টানদের ওপরও চলছে নিপীড়ন
পরবর্তি সংবাদখলিফায়ে মাদানী মাওলানা আবদুল মোমিন হাসপাতালে ভর্তি, দেশবাসীর দোয়া কামনা