ইসলাম টাইমস ডেস্ক : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে পটুয়াখালী-৩ আসনে জাতীয় ঐকফ্রন্ট্র প্রার্থী গোলাম মাওলা রনির বিরুদ্ধে। এ মামলার পর থেকে বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না বলে অভিযোগ রনির। এমনকি তিনি নামাজ আদায় করতে বাড়ির পাশের মসজিদেও যেতে পারছেন না।
গোলাম মাওলা রনি অভিযোগ করে বলেন, গত শুক্রবার আমার বিরুদ্ধে থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করার পর থেকেই মূলত বাইরে বের হতে পারছি না। মসজিদে নামাজ আদায় করতেও পারছি না। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লোকজনের হুমকি-ধমকিতে আমার সঙ্গে দেখা করতে নেতা-কর্মীরা বাসায় আসতে পারছেন না বরং তারা এদিক সেদিক পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এলাকা ছেড়ে তাদের চলে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। নির্বাচনী সেন্টার কর্মীর কমিটি করতে পারছি না।
তিনি বলেন, গত তিন দিন ধরে আমার বাসার চারদিক ঘিরে নৌকার কর্মী-সমর্থকরা পালা করে ঘুরাঘুরি করছে। তারা অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করছে। এমতাবস্থায় বাসায় পরিবার-পরিজন নিয়ে আতঙ্কিত দিন কাটাচ্ছি।
এর আগে গতকাল রনি অভিযোগ করে বলেন, তিনি অবরুদ্ধ জীবন যাপন করছেন। এভাবে অবরুদ্ধ থাকার চেয়ে গ্রেফতার হওয়াই ভালো।
মামলার বাদী পটুয়াখালী-৩ আসনের গোলাম মাওলা রনির প্রতিদ্বন্দ্বীর নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী মাসুদ। রনি ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন-পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সহসভাপতি শাহজাহান খান, চিকনিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শিপলু খান, রনির ভাই সরোয়ার হোসেন, শ্যালক মকবুল হোসেন ও শাহ আলম সানু।
গোলাম মাওলা রনি ২০০৮ সালে এই আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার বিএনপি তাকে এ আসনে মনোনয়ন দিয়েছে।
গত ১৫ ডিসেম্বর গলাচিপা সদরে প্রচারের সময় তার স্ত্রী কামরুন্নাহার রুনুর গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ করেন রনি। এ ঘটনার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করেন তিনি।
















