ইসলাম টাইমস ডেস্ক : সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গণধর্ষণের মূল হোতা রুহুল আমিন আগে বিএনপি নেতা ছিল। নির্বাচনের অল্প কিছুদিন আগে রুহুল আওয়ামী লীগে যোগ দেন।
বিচারপতি মানিক বলেন, সুবর্ণচরের ধর্ষণের ঘটনা নির্বাচন কেন্দ্রীক নয়। ব্যক্তিগত কারণে এই ধর্ষণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কাউয়া উপাধি দেয়া কাউয়াদের একজন সুবর্ণচরের রুহুল আমিন।
সোমবার জাগো বাংলা ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘নির্বাচন ২০১৮: অপরাজনীতির প্রস্থান ও নতুন অধ্যায়ের সূচনা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান আলোচক হিসেবে তিনি এমন কথা বলেন।
সুবর্ণচর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ধর্ষক রুহুল আমিন বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। মানিক বলেন, আওয়ামী লীগ ধর্ষণ করে নাই। ব্যক্তি একজন করেছে, তাই আওয়ামী লীগ ক্ষমা চাইবে কেন?
আরও পড়ুন : ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় ৪ সন্তানের মাকে গণধর্ষণ
শামসুদ্দীন মানিক বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পরিকল্লনায় ড. কামাল হোসেনের ভূমিকা ছিল। এ বিষয়ে একাধিক বইয়ে পাকিস্তানি মেজরদের সাথে ড. কামালের বৈঠকের নানা তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপি জেনে, আবার না জেনে মিথ্যা কথা বলে। মিথ্যা হলো বিএনপির রাজনীতির মূলমন্ত্র।
বৈঠকে বিকল্প ধারার প্রেসিডিয়াম সদস্য শমসের মবিন চৌধুরী বলেন, অপরাজনীতি অপসারণ করা একটা চলমান প্রক্রিয়া। মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ মৌলিক হতে হবে চেতনার থেকে। ৩০ ডিসেম্বর অনেক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হেরেছেন। তাদের হারার পেছনে একমাত্র কারণ তারা অপশক্তিকে আশ্রয় দিয়েছেন।
রাজনীতি বিশ্লেষক সুভাষ সিংহ রায় বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় মানুষের চিন্তার মধ্যে পরিবর্তন এসেছে, যা বিএনপি বুঝতে পারে নাই।
বৈঠকে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) মো. আলী সিকদার বলেন, ড. কামাল, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী আর বিএনপি জামায়াতের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। রাজনৈতিক যুদ্ধের মাধ্যমে এদের দূর করার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর তরুণ প্রজন্ম ভোট দিয়েছে। এ জন্য আওয়ামী লীগের এতো বড় জয়।
সংগঠনের প্রধান নির্বাহী নাসির আহমেদের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন সৈয়দ হাসান ইমাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক আব্দুল মান্নান চৌধুরী, সংগঠনের সদস্য সচিব ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল প্রমুখ।
আরও পড়ুন : সুবর্ণচরের বিবর্ণ ছবি ও নারীবাদীদের মুখে কুলুপ!
















