ইসলাম টাইমস ডেস্ক : ময়মনসিংহে ট্রাফিক পুলিশের হাতে এক অধ্যাপক মারধরের শিকার হওয়ার জের ধরে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও থানা ঘেরাও করে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় পাঁচ পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে পাঁচ পুলিশসহ ১৫ শিক্ষার্থীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার দুপুরে শহরের জিলা স্কুল মোড়ে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজের সহকারী অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলমের গাড়ির সঙ্গে একটি অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এ সময় রাস্তায় প্রচণ্ড যানজটের সৃষ্টি হলে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ আসলাম হোসেন ও চালকদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে প্রাইভেটকারে থাকা ওই শিক্ষক গাড়ি থেকে নেমে এসে ট্রাফিক পুলিশের কাছে ঘটনাটি জানতে চাইলে কথা কাটাকাটি ও একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে ওই ট্রাফিক বিষয়টি টহল পুলিশকে জানালে তাৎক্ষণিক পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই শিক্ষককে বেধড়ক মারধর করেন। পরে তাকে টেনেহিঁচড়ে ফাঁড়িতে নিয়ে আসেন।
এ খবর কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে বেশ কয়েকটি অটোরিকশা ভাঙচুর করে।
পরে বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা কোতোয়ালি মডেল থানা ও ২নং পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এ সময় পুলিশ লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় ৫ পুলিশসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হন।
এদিকে কলেজের বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানান, পুলিশ হাসপাতালে গিয়েও শিক্ষার্থীদের মারধর করেছে।
পরে প্রশাসনের সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাসে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শান্ত হয়। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
















