ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ছাত্রীদের যৌন হয়রানিকারী গাইবান্ধা সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান অমিত পার্থ দাসকে গ্রেফতার এবং অপসারণের দাবি জানান।
বৃহস্পতিবার কলেজের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা কলেজ ক্যাম্পাসে পৃথকভাবে মানববন্ধনে এ দাবি জানান।
শিক্ষার্থীরা বিকৃত মানসিকতার ওই শিক্ষককে অপসারণ না করা পর্যন্ত লাগাতার ক্লাশ বর্জন করে পঞ্চমদিনের মতো সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই মানববন্ধনসহ এই কর্মসূচি পালন করে। এদিকে কলেজ ক্যাম্পাসে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হয়।
কলেজের ছাত্রীদের অভিযোগে জানা গেছে, অমিত পার্থ দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রীদের ফেসবুক মেসেঞ্জারে আপত্তিকর প্রস্তাব ও অশ্লীল ভিডিও পাঠান এবং ছাত্রীদের নানাভাবে যৌন হয়রানি করেন। গত শনিবার কলেজের পাঁচ ছাত্রী যৌন হয়রানির বিষয়টি লিখিতভাবে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মিজানুর রহমানের কাছে অভিযোগ করেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে দেখার জন্য গণিত বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক আব্দুর রউফ খানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করে দেয়া হয়েছে। তারা সাত কর্মদিবসের মধ্যে বিষয়টি তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদান করবেন। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে অধ্যক্ষ জানান।
এদিকে কলেজের শিক্ষকরা একই দাবিতে কলেজের ক্লাশ বর্জন করে কলেজ ক্যাম্পাসে পৃথক একটি মানববন্ধন করে। মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন অর্থনীতি বিভগের বিভাগীয় প্রধান আসাদুল ইসলাম।
মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগ জেলা সভাপতি মো. আসিফ সরকার, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক জুয়েল মিয়া, ছাত্র ইউনিয়ন কলেজ শাখার আহবায়ক ওয়ারেছ সরকার, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক তারেকুজ্জামান তারেক, সাধারণ শিক্ষার্থী কলি রাণী ও বন্ধন কুমার বর্মণ।
















