আবরার আবদুল্লাহ ।।
আসন্ন ইজতেমার প্রস্তুতি বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত এসেছে। এর মধ্যে ইজতেমার তারিখ ঠিক রেখে প্রস্তুতি গ্রহণ করা, মাঠের প্রস্তুতির দায়িত্ব বণ্টন ও বিদেশি মেহমানদের অংশগ্রহণ ইত্যাদি বিষয় রয়েছে।
বৈঠক অংশগ্রহণ শেষে ইসলাম টাইমসকে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সহকারী মহাসচিব মুফতি নুরুল আমিন।
সকালে সাড়ে ১১টায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই বৈঠক শুরু হয়ে জোহরের নামাজের পূর্ব মুহূর্তে তা শেষ হয়।
তিনি জানান, বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় মাঠ প্রস্তুতের বিষয়টি তত্ত্বাবধান করবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল ও গাজীপুর পৌরসভার মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। এ কাজে তাদের সহযোগিতা করবেন উভয়ধারার তাবলিগের অভিজ্ঞ ও পুরাতন সাথীরা। তারা প্রয়োজন অনুযায়ী সাথীদের সহযোগিতা গ্রহণ করবেন।
আগামীকালের যে কোনো সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ইজতেমার মাঠের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বৈঠক সূত্র।
বিদেশি মেহমানদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, উভয়পক্ষের যৌথ স্বাক্ষরে যাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে কেবল তাদেরকেই ভিসা দেবে সরকার। অন্যদের ভিসা দেওয়া হবে না।
আরও পড়ুন : ইজতেমায় অংশগ্রহণ করছে না সাদপন্থীরা!
আসন্ন ইজতেমায় উলামায়ে কেরামের অংশগ্রহণ কেমন হবে জানতে চাইলে মুফতি নুরুল আমিন বলেন, উলামায়ে কেরাম স্বতস্ফূর্তভাবে অংশ নেবেন। তবে মাদরাসার ছাত্ররা কীভাবে অংশ নেবেন সে বিষয়ে আমরা আরও কিছুদিন পর মুরব্বিদের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেবো।
মাঠের প্রস্তুতিতে মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক অংশগ্রহণ করবে কীনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, যদি দায়িত্বপ্রাপ্তরা প্রয়োজন মনে করে এবং মুরব্বিরা ভালো মনে করেন তবে আলোচনা সাপেক্ষে দীনি কাজে সহযোগিতার জন্য তারা যাবে। অতীতে যেভাবে গিয়েছিলো। মাদরাসার সামগ্রিক শিক্ষা কার্যক্রম অক্ষুণ্ণ রেখেই তারা সহযোগিতা করতে পারে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও কিছু ভাবা হয়নি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আজকের বৈঠকে আরও অংশগ্রহণ করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মোঃ আবদুল্লাহ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর পৌরসভার মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, পুলিশের আইজি, র্যাবের ডিজিসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন : ইজতেমার সাফল্যের জন্য আল্লামা শফীর দোয়া চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
উলামায়ে কেরামের মধ্য থেকে উপস্থিত ছিলেন, আল্লামা আশরাফ আলী, মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ, মুফতি আরশাদ রাহমানী, মাওলানা মাহফুজুল হক, মুফতি নুরুল আমিন ও মুফতি রুহুল আমিন।
এছাড়াও তাবলিগের উভয়পক্ষের মুরব্বি ও শুরা সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
















