ইসলাম টাইমস ডেস্ক : দলের পুনঃগঠন ও খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য রাজনৈতিক আন্দোলনের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। আজ খালেদা জিয়াসহ দলীয় নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় দলের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা এই কথা বলেন।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটশন মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে দলকে পুনর্গঠন ও পুনর্বাসন করতে হবে। তাহলেই আন্দোলনের মাধ্যমে নেত্রীকে মুক্ত করে আনতে পারব।
তিনি আরও বলেন, তৃণমূল থেকে দল পুনর্গঠন কতে হবে। যারা খালেদা জিয়ার জন্য সংগ্রাম করেছে তাদের ওপরে জায়গা দিতে হবে। দল পুনর্গঠন করতে হবে।
নির্বাচনপূর্ব গণভবনের সংলাপের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আমাদের একটি দাবিও মানা হয়নি। তারপরও কেন নির্বাচনে গিয়েছিলাম। কারণ ৭৮ হাজার মামলা দেয়া হয়েছে। নেতাকর্মীরা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। দুটি কারণে আমরা নির্বাচনে গিয়েছিলাম, আশা ছিল, মানুষ ভোট দিতে পারলে আমরা জয়ী হবো। আর সেদিন আমাদের নেত্রীকে মুক্ত করতে বাধ্য হবে।
দলের স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, আজকে এক বছর হলো রাজনীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তাকে কী আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্ত করা যাবে? আমরা নেত্রীকে রাজনীতিকভাবেই মুক্ত করে আনব।
সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আবার প্রধানমন্ত্রী করার জন্য আহ্বান জানান বিএনপির এই নেতা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে সভার প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিমের যৌথ সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালী, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, যুগ্ম-মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নাসিম হোসাইন, মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান প্রমুখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবি এম মোশাররফ হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ ইসলাম অমিত, মো. আব্দুল আউয়াল খান প্রমুখ।
















