বৃহত্তম জুমার জামাতে অংশ নিতে টঙ্গীতে মুসল্লিদের ঢল

শাহ মুহাম্মাদ খালিদ ।। টঙ্গী থেকে

আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার টঙ্গীর ইজতেমার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে দেশের বৃহত্তম জুমার জামাত। টঙ্গীর ইজতেমায় অংশগ্রহণকারী এবং ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার অন্তত ২০ লাখ মুসল্লি এই জামাতে শরিক হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। জুমার জামাতে অংশ নিতে মানুষের ঢল নেমেছে আজ সকাল থেকে।

দেশের শীর্ষ আলেম হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা আহমদ শফীও বৃহত্তম এই জামাতে শরিক হচ্ছেন বলে জানা গেছে। তিনি আগামীকাল সকালের আখেরি মোনাজাত পর্যন্ত টঙ্গীর ইজতেমার মাঠে অবস্থান করবেন।

সকাল ১০টা থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা ইজতেমার মাঠে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে ইজতেমার মাঠ ও পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো লোকে লোকারণণ্য হয়েছে।

ইজতেমার মাঠের ভেতরের অংশ পূর্ণ হয়ে যায় বেলা ১১টার পরপর। এখন মুসল্লিরা মাঠের রাস্তা, টঙ্গী ময়দানের আশপাশের মাঠ ও বিভিন্ন সড়কে অবস্থান করছেন।

বৃহত্তম এই জুমার জামাতের খুতবা পাঠ ও নামাজের ইমামতি করবেন কাকরাইলের অন্যতম শুরা ও কাকরাইল ট্রাস্ট্রি বোর্ডের চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ যোবায়ের। বেলা ১টায় ইজতেমার মাঠে আজান হবে এবং বেলা ১টা ৩০ মিনিটে জুমার খুতবা শুরু হবে। খুতবা শেষেই বৃহত্তম এই জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

জুমার জামাতের পর আগত মুসল্লিদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ করবেন শেখ গাসসান।

উল্লেখ্য, গতকাল বৃহস্পতিবার বাদ ফজর আম বয়ানের মাধ্যমে ইজতেমা ২০১৯-এর অনানুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় এবং  বাদ আসর আম বয়ানের মাধ্যমে ইজতেমার মূল কার্যক্রম শুরু হয়। এবারের ইজতেমায় ভারত-পাকিস্থানের শীর্ষ তাবলিগি মুরব্বিরা ছাড়াও দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম অংশগ্রহণ করেছেন।

পূর্ববর্তি সংবাদআমি এরকম নীচ সরকার কখনো দেখিনি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
পরবর্তি সংবাদজামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের পদত্যাগ