সাদ আবদুল্লাহ মামুন ।।
দেখতে দেখতে শেষ বইমেলা। আর মাত্র একদিন বাকি। কারও কারও পরিকল্পনা থাকে শেষ দিকে বই কেনার। তাই কেউ কেউ বৃষ্টির আশঙ্কা নিয়েও গিয়েছেন বই কিনতে। তবে নিরাশ হতে হয়েছে সবাইকে। বুধবার বিকেলের বৃষ্টিতে ভেস্তে গেছে বইমেলা। ক্রেতা-বিক্রেতা সবাইকে আশ্রয় নিতে হয়েছে কোনো স্টল বা মঞ্চের ছাদের তলে।
অনেক প্রকাশকই স্টল বন্ধ করে চলে গেছেন। মেলা সাধারণত ৯টায় শেষ হলেও বৃষ্টির কারণে বিকেল ৩টার পরপরই কার্যত বুধবারের মেলা বন্ধ হয়ে গেছে অনেকটা।

পহেলা ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে মেলা। শেষ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার। এক মাসের বইমেলা। শত শত প্রকাশনী। লাখ লাখ বই। তবু যেন একটা ফাঁকা রয়ে গেছে। থেকে গেছে একটা শূন্যতা! কী যেন নেই! হ্যাঁ নেই! ভালো কোনো ইসলামি বই বা প্রকাশনীর উপস্থিতি নেই।
অনেক পাঠকের মনে এই ক্ষোভ ও কষ্ট। বইমেলায় এসে তারা পছন্দের ও গ্রহণযোগ্য ইসলামি বইগুলো কিনতে পারছেন না। এদিকে ইসলামি প্রকাশনীগুলোরও অভিযোগ, সব রকমের চেষ্টার পরও বইমেলায় তারা অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেয়া হয় না।
একুশে বইমেলাকে নিয়ে তাই বহু লেখক-পাঠক-প্রকাশকের মনে প্রশ্ন- এমন পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে জাতীয় বইমেলার মর্যাদা দিন দিন কি ক্ষুণ্ন হচ্ছে না? লাখ লাখ জনমনের এই কষ্টের কথা আমাদের বাংলা একাডেমি ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ভেবে দেখবেন কি!
আরও পড়ুন : শেষবেলার বইমেলা: সুখ-দুঃখের কড়চা
















