ইসলাম টাইমস ডেস্ক: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর ও দারুল উলুম দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারীর মহাপরিচালক আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী বলেছেন কাদিয়ানীরা খতমে নবুওয়ত স্বীকার করে না, তাই তারা কাফের। তারা নিজেদের আহমদীয়া মুসলিম পরিচয় দিয়ে জনগণকে ধোঁকা দিচ্ছে। এরা ইসলামের পরিভাষা ব্যবহার করতে পারে না। তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করুন। নাস্তিকদের শাস্তির আইন সংসদে পাশ করুন।
শুক্রবার (০১ মার্চ) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে আয়োজিত দু’দিন-ব্যাপী শানে রেসালাত সম্মেলনের সমাপনী দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শানে রেসালাত সম্মেলনের সমাপনি দিবসে যথাক্রমে সভাপতিত্ব করেন হেফাজত মহাসচিব আল্লামা হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরী, মাওলানা হোসাইন আহমদ কৈয়গ্রাম, মাওলানা শিহাবুদ্দিন মদুনাঘাট।
আল্লামা শফী বলেন, আল্লাহর কুরআনের বিধানেই জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। অন্য কোনো মন্ত্রে শান্তির আশা করা যায় না। আমরা যদি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রকৃত অনুসরণ করে চলি তাহলে সমাজে হানাহানি-রক্তপাত থাকবে না। দেশের নেতৃত্ব যাদের হাতে তাদের অন্তরে আল্লাহর ভয় না থাকার কারণে যে কোনো অন্যায়-অনাচার-পাপাচার ও জুলুম নিপীড়ন করতে তারা কুণ্ঠাবোধ করছে না। এটা দেশের জন্য মঙ্গলজনক নয়। তাই মুসলমানদেরকে খোদাভীরু নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে হবে।
আল্লামা আহমদ শফী তাওহিদী জনতার উদ্দেশ্যে আরও বলেন, শিরকমুক্ত স্বচ্ছ ঈমান-আকীদা ও আমলে সালেহ মুসলমানের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। এই আমল মহান আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার জন্য বিদআতমুক্ত হতে হবে। কুরআন-হাদিসে হালাল হারাম, সত্য-মিথ্যা, হক-বাতিল, ঈমান-কুফর-শিরক বিদআত প্রতিটি বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে বিধৃত হয়েছে। আমলের প্রশ্নেও আল্লাহর রাসূল বিদআতকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছেন। নামাজ যাবতীয় অন্যায়, অশ্লীলতা থেকে মানুষকে মুক্ত রাখে। জিকির মানুষের কলব পরিশুদ্ধ করে। ইবাদতে বন্দেগীতে অগ্রহ তৈরী হয়। আল্লাহর রেজামন্দী লাভ হয়। তাই সবাইকে ইবাদত বন্দেগীতে মনোযোগী হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, নারীরা সমাজের অর্ধেক। তাদের নিরাপত্তার জন্য আল্লাহ পর্দার বিধান জারী করেছেন। পর্দা পালনেই তাঁদের নিরাপত্তার গ্যারান্টি। আল্লাহর আইন না মানলে খাঁটি মুমিন হওয়া যায় না।
















