আমরা বরং বলতে পারি মেননকে মন্ত্রী করে দিন : মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ

গত ৩ মার্চ প্রবীণ বাম রাজনীতিক ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে দেশের ইসলামপন্থী বিভিন্ন সংগঠনের কার্যক্রম, ওলামায়ে কেরাম, কওমি মাদরাসার স্বীকৃতি ও হেফাজতে ইসলাম নিয়ে অশোভন ও অমার্জিত বক্তব্য দিয়েছেন। তার বক্তব্যে আল্লামা আহমদ শফীকে ‘তেঁতুল হুজুর’, দেশে ইসলাম ও মুসলমানের দীনি কার্যক্রমকে মোল্লাতন্ত্র, হেফাজতে ইসলামকে মোল্লাতন্ত্রের পৃষ্ঠপোষক আখ্যা দেন এবং কওমি মাদরাসার শিক্ষাসনদের স্বীকৃতিকে বিষবৃক্ষ রোপণের সাথে তুলনা করেন।

তার এই অমার্জিত ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য, তার মনের খেদ ও তা প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ইসলামি শিক্ষা ও ধর্মপ্রাণ মানুষকে বেছে নেওয়ার কারণ বিশ্লেষণ করেছেন মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকার রঈস, মাসিক আলকাউসার-সম্পাদক মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ। ইসলাম টাইমসের পক্ষে তার সামনাসামনি হয়েছিলেন আতাউর রহমান খসরু।

ইসলাম টাইমস : সম্প্রতি একজন প্রবীণ বাম নেতা জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে ইসলামি শিক্ষা ও দেশের একজন শীর্ষ আলেমের বিরুদ্ধে বিষদাগার করেছেন। অতীতেও তাকে এমন করতে দেখা গেছে। তার এই প্রবণতার কারণ কী?

মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : রাশেদ খান মেনন সম্পর্কে একটু বলে নেই। উনার বাবা আবদুল জব্বার খান মুসলিম নেতা ও প্রাদেশিক পরিষদের স্পিকার ছিলেন। ঐতিহ্যগতভাবে তার পরিবারটিই ছিলো সুবিধাভোগী। এর তুলনা করতে পারি, ১৯৭১ সালের একটি পরিস্থিতির সাথে। উনি বামধারার রাজনীতি করেন এবং আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ, তার বোন বিএনপির সর্বোচ্চ স্তরের একজন নেত্রী। আমি কথাটি তাদের সময়ে সময়ে নানা উপায়ে রাজনৈতিক সুবিধা আদায় করার বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য বললাম।

ইসলাম টাইমস : এখন তার লক্ষ্য কী?

মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : উনি এখন যা করছেন, তা রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্যই করছেন। সেটা কীভাবে? এই দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আওয়ামী লীগের প্রধান শত্রু ছিলো বামরাই। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ যোগ্যতা যে তিনি বাম নেতাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছেন। নতুবা বামরা তার বাবাকে একটা দিনও স্বস্তির সাথে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে দেয়নি। এখন তারা প্রধানমন্ত্রীর অনুগত। আনুগত্যের বিনিময়ে তারা মন্ত্রিত্ব লাভ করেছেন।

ইসলাম টাইমস : তিনি দেশের প্রবীণ রাজনীতিক। দীর্ঘদিন রাজনীতি করেছেন। তারপরও কেন মনে হচ্ছে, আনুগত্যের পুরস্কার হিসেবে তিনি মন্ত্রিত্ব লাভ করেছেন?

মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : আমি তাকে খাঁটো করার জন্য বলছি না। তিনি অবশ্যই যোগ্য ও বড় মানুষ। কিন্তু এ দেশের নাগরিকদের প্রশ্ন আছে, তিনি মন্ত্রী হতে পারেন কী না? এই প্রশ্ন শুধু সাধারণ মানুষের নয়। এই প্রশ্ন ক্ষমতাসীন দলের সিনিয়র অনেক নেতাই তুলেছেন। যেমন, ধরুন! মহাজোটের অপর অংশিদার হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদই বলেছিলেন, ‘কমিউনিস্টদের লজ্জা থাকতে নেই। কারণ, তাদের লজ্জা থাকলে অভির (গোলাম ফারুক অভি। এরশাদের ছাত্রদলের তৎকালীন নেতা) কাছে হেরে যাওয়া নেতারা এতো বড় বড় কথা বলতো না।’

সম্প্রতি অপর একজন বাম নেতা সম্পর্কে ক্ষমতাসীন দলের নেতা আমির হোসেন আমু বলেছেন, এরা তো নিজেরা নির্বাচন করলে একটা ইউনিয়ন পরিষদেও পাস করতে পারবে না।

এদেরকে যারা ক্ষমতাসীন করেছেন, তারাই বলছেন এসব বাম নেতারা গণবিচ্ছিন্ন। তাদের কোনো গণভিত্তি নেই। তাহলে তারা মন্ত্রী হন কিসের ভিত্তিতে?

কিছুদিন আগে বামনেতা হাসানুল হক ইনু এমন এক মন্তব্য করার পর তাকেও অনেক কথা শুনতে হয়েছিলো। কিন্তু তারা কিন্তু কোনো উত্তর দেননি। এখন আমুর কথার উত্তরও সদ্য সাবেক হওয়া শিল্পমন্ত্রী দেননি।

তাদের এই কোথাও কথা বলা এবং না বলা দেখে একটি ফার্সি প্রবাদ মনে পড়লো। ফার্সিতে বলা হয়, দিওয়ানা বাকারে খুদ হুশিয়ার। পাগল নিজের কাজের ব্যাপারে সতর্ক। অর্থাৎ তাদের ভেতর একটি নূন্যতম সতর্কতা কাজ করে। এজন্য আমরা পাগলকে আগুনে ঝাপ দিতে দেখি না, পানিতে ঝাপ দিতে দেখি না।

বামরাও নিজের স্বার্থের ব্যাপারে হুশিয়ার। নতুবা অপমানজনক কথার প্রতিবাদ করবেন না কেন?

ইসলাম টাইমস : আপনি বলতে চাচ্ছেন, তার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পেছনেও কোনো স্বার্থচিন্তা কাজ করছে?

মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : দেখুন! গত সরকারের সময়ে -তারা যখন মন্ত্রী ছিলেন- সে সময়েই হেফাজতে ইসলামসহ উলামায়ে কেরামের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ বাড়ে, ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। শুরুতে কয়েকজন বাম নেতা একটু শব্দ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী প্রেসক্লাবের এক অনুষ্ঠানে বললেন, ‘তারা সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করার আগে ইস্তফা দেওয়া উচিৎ ছিলো।’ কারণ, প্রধানমন্ত্রী যখন কোনো রাষ্ট্রীয় নীতি গ্রহণ করেন, তখন তার বিরোধিতা করে তার অধীনে কীভাবে মন্ত্রী থাকবেন? তারা কিন্তু ইস্তফা দিলেন না। বরং নিজেরা সংশোধিত হলেন, সংযত হলেন।

সরকারের সঙ্গে আলেমদের ঘনিষ্ঠতার যতোদিক এখন আলোচনায় তার সবই নির্বাচনের আগেই হয়েছে। নির্বাচনের পর নতুন করে কিছু হয়নি। তাহলে এতোদিন পর কেন তারা স্বরব হলেন? আমার মনে হয়, এর কারণ তাদের এতোদিন চাকরি ছিলো এবং এখন তাদের চাকরি নেই। আমাদের দেশে মন্ত্রিত্বকে চাকরি বলে না, কিন্তু ইউরোপ-আমেরিকায় মন্ত্রিত্ব এক প্রকার চাকরি। আমেরিকায় মন্ত্রীকে সেক্রেটারি বলা হয়। যেমন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্টেট সেক্রেটারি বলা হয়। মন্ত্রীদের বেতনভাতা সব নির্ধারিত। প্রধানমন্ত্রী যতোদিন চান ততোদিন একজন লোক এই চাকরি করতে পারেন।

নির্বাচনের আগে ও কিছুদিন পর পর্যন্ত তারা এই চাকরি আবার পাবেন এই আশায় ছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের অন্যান্য সিনিয়র নেতাদের কথা তাদের মোহভঙ্গ হয়। তাদেরকে বলা হয় নিজের পায়ে দাঁড়াতে। এখন তারা তাদের ‘পুরাতন চাকরি’তে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

ইসলাম টাইমস : ‘পুরাতন চাকরি’র বিষয়টা যদি একটু স্পষ্ট করতেন?

মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়ার পর ধর্মের বিরোধিতা তাদের মূল পূঁজিতে পরিণত হয়েছে। নিন্দুকেরা বলেন, এতে তাদের বিদেশি প্রভুরা খুশি হয় এবং তাদের হাতও নাকি ভরে যায়। সেই চাকরি ফিরে পাওয়া চেষ্টা করছেন। এজন্য দেখবেন, তারা হয়তো মসজিদে যাবে না এবং এই বিষয়ে কথা বলবে না। কিন্তু তারা কাদিয়ানিদের আস্তানায় যাবে এবং তাদের পক্ষে কথা বলবে। কারণ, এদের ব্যাপারে কথা বললে যাদের এসব নেতারা খুশি করতে চান তারা খুশি হবেন।

ইসলাম টাইমস : তাদের দাবি, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমাকে সব সমাজের খোঁজ-খবর রাখতে হবে।

মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : আমি বলছি না, তারা কাদিয়ানি আস্তানা বা মন্দিরে যেতে পারবেন না। একজন রাজনীতিক ও সরকারের দায়িত্বশীল হিসেবে তারা সেখানে যেতে পারেন। কিন্তু এই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের দিকেও তাকানোর কথা ছিলো। হিসাবে নয়টা মসজিদে যাওয়ার পর একটা মন্দিরে গেলে সমস্যা ছিলো না। তাদের তো কখনও মুসলমানের পক্ষে বলতে শোনা যায় না।

আমি এই গুলোকে অস্বাভাবিকভাবে দেখছি না। নিজেদের কথিত অবস্থান তৈরির জন্য যা করার কথা তারা তাই করছেন। তাই এর খুব জোরালো প্রতিবাদ করারও দরকার মনে করছি না। বরং আমার মনে হয়, বেশি গুরুত্ব দিলে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল হয়ে যাবে।

ইসলাম টাইমস : তাহলে আমরা কী করতে পারি?

মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, তাদেরকে থামানোর উপায় হলো মন্ত্রী করে দেওয়া। এতে সরকার ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনগুলো তুলনামূলক নিরাপদ থাকবে। আপনার মনে থাকবে হয়তো, নবম জাতীয় সংসদে কয়েকজন নেতা -যাদের একজন গত হয়েছেন এবং একজন গুরুতর অসুস্থ- সরকারের তুমুল সমালোচনা শুরু করলেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের মন্ত্রী বানিয়ে দিলেন। ব্যস! তারা ঠাণ্ডা। তখন তাদেরকে হজও করতে দেখা গেছে। তাই আমরা বরং প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করতে পারি এদেরকে মন্ত্রী করুন। এদের সামলান।

তারা যদি সত্যিই এই আদর্শে বিশ্বাস করত যে, আমাদের ধর্মের বিরুদ্ধে বলতে হবে এবং কাজ করতে হবে, তাহলে আমি তাদের সমালোচনা করতাম না। কারণ, তাদেরকে আমি ভিন্ন মতাবলম্বী ধরে নিতাম। কিন্তু যিনি মন্ত্রী থাকলে এক কথা বলেন এবং মন্ত্রিত্ব গেলে আরেক কথা বলেন –সেটাকে তো আদর্শ বলা যায় না।

ইসলাম টাইমস : একই বক্তব্যে তিনি সরকারের বিরোধিতাও করেছেন।

মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : উনি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের নিজের পায়ে দাঁড়াতে বলেছেন। নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে স্পেস দিতে হবে। এতদিন পর তার স্পেস নেই এই অনুভূতি জাগলো! দেশের আর দশজন রাজনীতিক বললে তাদের মুখে কথাটা মানাতো। উনি যে আসনের প্রতিনিধিত্ব করেন সেখানে যদি একটি জনসভা করতে চান এবং আওয়ামী লীগের লোক অংশ না নেয়, তা হলে এক হাজার লোক একত্র করার ক্ষমতা তার আছে? তাহলে তিনি স্পেস কোথা থেকে পেলেন? সংসদে দাঁড়িয়ে এই কথা কীভাবে বলেন? নোটিফিকশনের জনপ্রতিনিধি হওয়া আর বাস্তবের জনপ্রতিনিধি হওয়া এক কথা নয়।

ইসলাম টাইমস : আমরা যতোদূর জানি, স্বাধীনতার সময় পিকিংপন্থী এই নেতা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছেন, তার পিতা মুসলিম লীগের নেতা ও  প্রাদেশিক পার্লামেন্টের স্পিকার ছিলেন। তিনি আবার সমালোচনা করে বললেন, আমরা পাকিস্তান আমলে ফিরে যাচ্ছি। তিনি মূলত কী বোঝাতে চেয়েছেন?

মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : এসব কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করাই উদ্দেশ্য। যেন মুক্তিযুদ্ধে তার কত অবদান? শুধু তিনি নন। অনেকেই এখন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বড় বড় কথা বলেন। অথচ হয়তো তিনি, তার পরিবার ও আপনজনরা পাকিস্তানের পক্ষে সক্রিয় ছিলো। তার স্পষ্ট করা উচিত ছিলো আমরা কীভাবে পাকিস্তান আমলে ফিরে যাচ্ছি। যদি জনপ্রতিনিধিদের অবজ্ঞা, জনগণের ক্ষমতায়নে বাধা ও সামরিক আইন জারির দিকে ফিরে যাওয়া বোঝান তাহলে ভিন্নকথা। আবার অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকলে সেটাও ভিন্নভাবে মূল্যায়ন যোগ্য। আর তিনি পাকিস্তান আমলে তিনি কোন কোন বিষয়ের প্রতিবাদ করেছিলেন সেটাও বিবেচ্য বিষয়।

ইসলাম টাইমস : আপনি বললেন, এসব নেতাদের কথাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত হবে না। আবার তার এমন অশালীন বক্তব্যের প্রতিবাদও হওয়া দরকার। তাহলে এ ক্ষেত্রে মাত্রাটা কী হবে?

মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : যারা প্রতিবাদ করছেন তাদের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে। জাতীয় সংসদে যারা ধর্ম ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে কথা বলবে জনগণ তাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রকাশ করবে এটাই স্বাভাবিক। সাথে সাথে এটাও লক্ষ রাখতে হবে, যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছি তার প্রত্যাশা প্রতিবাদ কি না? আমার তো মনে হয়, তিনি এটা চাচ্ছেন। কারণ, দেশের স্তব্ধ রাজনৈতিক অবস্থায় তার বিরুদ্ধে মিছিল-মিটিং হলে দূতাবাস ও বিদেশি মিশনগুলোর কাছে নিজের অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবেন। এই সুযোগটা তাকে দেওয়া যাবে না।

বুঝতে হবে, মেনন সাহেবরা এখন আর দেশের কিছুই না। যখন তাকে মন্ত্রী বানানো হয়েছিলো তখন তিনি কিছু ছিলেন। রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে তাদের কোনো প্রভাব আছে বলে আমার মনে হয় না। আমরা তাকে বেশি পাত্তা দিলে তার অবস্থান তৈরি হবে। আমাদের দায়িত্ব এসব নেতাদের চরিত্র জনগণকে জানিয়ে দেওয়া যে, এরা এসব করবেই।

ইসলাম টাইমস : অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, ইসলামপন্থীরা সবকিছুর সমাধান প্রতিবাদ-বিক্ষোভে খোঁজেন। আইনি প্রক্রিয়া যান না। এ ব্যাপারে আপনার মূল্যায়ন কী?

মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : আমাদের দেশের আইন-আদালতের যে অবস্থা, আইনি প্রক্রিয়ার যে দীর্ঘসূত্রিতা এবং ক্ষমতার অংশীদারদের উপর আইন প্রয়োগে প্রতিবন্ধকতা এসব কারণে অনেক সময় আইনি প্রক্রিয়া যাওয়ার চিন্তা পরিহার করা হয়, অনেকে নিরুৎসাহিত হন। জনপ্রতিনিধিদের বিচারাধীন করা আমাদের দেশে খুব সহজ কথা নয়। নতুবা আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়া মন্দ কিছু না।

পূর্ববর্তি সংবাদশিবমেলায় ফেলে যাওয়া মাকে অবশেষে ফিরিয়ে নিলো ছেলে
পরবর্তি সংবাদকাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে কাফের ঘোষণা করতে হবে: আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী