মুকীম আহমাদ ।। মালয়েশিয়া থেকে
গত ১৫ই মার্চ শুক্রবার নিউজিল্যান্ড ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে সংগঠিত নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মালয়শিয়ার তিনজন নাগরিকও আহত হন। তারা স্হানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তাদের অবস্হা শংকামুক্ত।
মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দীন আল জাহিদ বলেন , প্রায় ১২০০ মালয়শিয়ান নাগরিক ক্রাইস্টচার্চে বসবাস করেন যাদের মধ্যে ২৮০জন বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী। তবে শিক্ষার্থীদের সবাই নিরাপদেই আছেন।
ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড থেকে বেঁচে ফেরা একজন মালয়শিয়ান কিশোর জানালেন তাঁর পালিয়ে আসার গল্প । ইদ্রিস খায়রুদ্দিন (১৪) বলেন, ‘শুক্রবার জুমার নামাজ আদায়ের জন্য আমি আন নুর মসজিদে যাই, সাধারণত আমি ঢুকেই নামাজ পড়ি কিন্তু গতকাল আমি একদম পিছনে বসে জামাত শুরু হওয়ার অপেক্ষা করছিলাম। হঠাৎ আমি গুলির শব্দ এবং গ্লাস ভেঙ্গে পড়ার শব্দ শুনতে পেলাম। মুসল্লিরা পালাও পালাও বলে চিৎকার করছিলো। তাদের চিৎকার শুনেই আমি কোনো দিকে তাকিয়ে মসজিদের দেয়াল টপকে বের হয়ে আসি।
তিনি আরও বলেন, আমি বের হয়ে আসার সময়ও গুলির শব্দ ও মানুষের চিৎকার শুনতে পাচ্ছিলাম।
এদিকে ক্রাইস্টচার্চের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে মালয়শিয়ার খ্রীস্টান সংঘের আর্কবিশপ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নন্দিা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি মালয়শিয়ায় অবস্হিত তার সকল অনুসারীকে শান্তি ও শংখলায় সজাগ থাকতে বলেন।
ঘটনার পরপরই মালয়শিয়ার সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয় । পাশাপাশি সকল বিনোদন কেন্দ্রগুলোতেও সজাগ দৃষ্টি রাখতে বলা হয় দেশটির কাউন্টার টেরোরিজম (e8) ডিভিশনের পক্ষ থেকে।
সূত্র : বারনামা
















