টেরেন্টদের মতো খুনিদের উসকে দিয়েছে ট্রাম্পদের মতো রাজনীতিকরা : মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ

গত ১৫ মার্চ শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে আননুর মসজিদ ও লিনউড মসজিদে উগ্রপন্থী খ্রিষ্টান এক সন্ত্রাসী আকস্মিক বন্দুক হামলা করে ৫০ জন মুসলমানকে হত্যা করে। ভয়ংকর এ ঘটনা নিয়ে সারা পৃথিবীতেই তোলপাড় বয়ে যায়। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া, ইউরোপ-আমেরিকায় বর্ণবাদী খ্রিষ্টান উগ্রপন্থার সংকট ও উত্তরণের উপায় নিয়ে কথা বলেছেন মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকার রঈস ও উম্মাহ-দরদি পর্যবেক্ষক মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ। ইসলাম টাইমসের পক্ষে তার সামনাসামনি হয়েছিলেন আবু তাশরীফ


 

ইসলাম টাইমস : নিউজিল্যান্ডে সন্ত্রাসী হামলায় ৫০ জন মুসলমানকে হত্যা করা হয়েছে, এ ব্যাপারে আপনার সাধারণ প্রতিক্রিয়া কী?

মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : এ ধরনের হামলার ঘটনা অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। অন্য দেশ বা জায়গায় সুযোগ কম থাকায় সন্ত্রাসী টেরেন্ট নিউজিল্যান্ডের দুটি মসজিদকে বেছে নিয়েছে।

ইসলাম টাইমস : এ জাতীয় মুসলিম হত্যাকাণ্ড অনিবার্য হয়ে উঠছিল, বলছেন। কেন এমন মনে করছেন?

মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : বহু বছর ধরে বিশ্ব মোড়ল দাবিদাররা এমন পরিস্থিতি তৈরি করে চলেছে। পশ্চিমা দেশগুলোতে, ‘খ্রিষ্টান শ্বেতাঙ্গ’ সমাজে তারা একটা উম্মাদনা সৃষ্টি করছে। তাদের বক্তব্যে, আচরণে, নীতিতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার কাজটাই করেছে তারা। এই মোড়লদের অন্যতম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিভিন্ন দেশে তার মতো আরও অনেক রাজনীতিক রয়েছেন। তারা তথাকথিত জাতীয়তাবাদ-যার পেছনে আছে বর্ণবৈষম্য ও বর্ণবাদ, ইসলামফোবিয়া, ইসলামবিদ্বেষ ও অভিবাসন বিরোধী অবস্থান-নিয়ে সরব থাকেন। তাদের এসব নীতি ও বক্তব্য সেসব দেশে বহু তরুণ-যুবককে বিভ্রান্ত করছে। যুবকরা এজাতীয় নৃশংস মানসিকতায় ধাবিত হচ্ছে। নির্বিচারে মুসলিম হত্যার মতো একটা প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে সেখানে।

ইসলাম টাইমস : এটা কি একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা হতে পারে না?

মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : নিউজিল্যান্ডের এই সন্ত্রাসী ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা মনে করার কোনো সুযোগ নেই। হঠাৎ করে করে-ফেলা কোনো আত্মঘাতী হামলার সাথে এ ঘটনাটাকে মিলানো যায় না। ঠাণ্ডা মাথায়, পরিকল্পিতভাবে, প্রস্তুতি নিয়ে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এমন একটা ঘটনা ঘটার আগে হত্যাকারী নিজে একটি ঘোষণাপত্র তৈরি করেছে এবং সেটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়েছে। সেখানে এ জাতীয় মুসলিম হত্যার পেছনে তার কী কী উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য আছে, এগুলোও সে বলেছে। বিশ্বরাজনীতির কোন কোন ব্যক্তি তার অনুসরণীয়- এটাও সে উল্লেখ করেছে। এসব পূর্বাপর বিষয়গুলো দেখলে স্পষ্টতই বোঝা যায়- এটা নিছক একটা হত্যাকাণ্ড নয়। এটা একটা মতাদর্শ। হত্যাকারী টেরেন্ট এই মতাদর্শের অনুসারী একজন ব্যক্তি মাত্র। এই মতাদর্শের গুরু ও অনুসারী বহু মানুষ রয়েছে।

ইসলাম টাইমস : এই ঘটনার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অন্য রাজনীতিকদের নাম বা প্রসঙ্গ কেন আসে? তারা তো প্রত্যক্ষভাবে কিছু করছে না?

মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : কারণ তারাই একটি ভিন্নরকম ‘জাতীয়তাবাদ ও শ্রেষ্ঠত্বের’ কথা বলে থাকে। হানাহানি, বিভেদ ও ধর্ম-বর্ণের বৈষম্যের সৃষ্টি করছে। টেরেন্টদের মতো খুনিদের উসকে দিয়েছে ট্রাম্পদের মতো রাজনীতিকরা। তাদের নীতিতে ও বক্তব্যে ঘৃণা-বিদ্বেষ ও শ্রেষ্ঠত্ব-নিচুত্বের একটি দ্বন্দ্ব তৈরি করছে। আমেরিকার কথাই ধরা যাক। বলা হয় এবং মনেও করা হয়- বহু জাতি-বহু বর্ণের মানুষ সেখানে বসবাস করে। বলা হয়, এটাই ওই দেশের সৌন্দর্য। এখন কি সেরকম বহু জাতি ও বর্ণের মানুষের নির্দ্বিধায় বসবাসের পরিস্থিতি আছে আমেরিকায়?

ইসলাম টাইমস : ইউরোপ-আমেরিকার অনেক রাজনীতিক শরণার্থী বিরোধী। নিজেদের স্বার্থেই শরণার্থীদের বিরুদ্ধে একটা অবস্থান তাদের- এটাও তো হতে পারে?

মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : বিভিন্ন মুসলিম দেশ থেকে যেসব শরণার্থী তাদের দেশে যাচ্ছে- এটাও তো তৈরি হয়েছে তাদের কারণে। তাদের রাষ্ট্রীয় ও আক্রমণ-পলিসির কারণেই দেশে দেশে বিরোধ ও গণ্ডগোল তৈরি হয়। আবার তারাই সেই শরণার্থীদের জায়গা না দেওয়ার রাজনীতিটা করে। শরণার্থীদের বিষয়ে হিংসাত্মক কথা ও নীতি প্রচার করে। শরণার্থীদের বিরুদ্ধে নাগরিকদের বড় অংশকে উসকে দেয়।

ইসলাম টাইমস : নিউজিল্যান্ডে হামলাকারী সন্ত্রাসীটি দাবি করেছে, ইউরোপের দেশগুলোতে ‘মুসলমানরা বহিরাগত’। এই দাবিটা তাদের অনেকেরই। এজাতীয় কথার বাস্তবতাটা আসলে কী?

মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : ওরা যে আমেরিকা-ইউরোপের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ‘বহিরাগত’ বলে নিজেদেরকে সেসব দেশের ‘আসল মালিক’ দাবি করে- এটা একটা ডাহা মিথ্যা কথা। আমেরিকা, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডসহ ইউরোপ ও ওশেনিয়া অঞ্চলে যেসব শ্বেতাঙ্গ রয়েছে- যারা ধর্মের দিক থেকে বেশিরভাগই খ্রিষ্টান- এরা সবাই বহিরাগত। এরা এসব দেশে প্রথমে কলোনি স্থাপন করেছে। তারপর দেশের মূল মালিকদের সরিয়ে দিয়ে নিজেদের লোকদের নিয়ে এসে বসতি স্থাপন করেছে। ওইসব দেশের মূল মালিকেরা এখন পাহাড়ে-জঙ্গলে বাস করে। উড়ে এসে জুড়ে বসা এই শ্বেতাঙ্গরাই এখন মুসলমানদের বলছে- ‘বহিরাগত’। এ বিষয়টা বুঝতে ২০০০ বছরের ইতিহাস জানার দরকার নেই। গত কয়েক শতাব্দীর ইতিহাস উল্টে দেখলেই পরিষ্কার হয়ে যায়। সুতরাং অন্যদের ‘বহিরাগত’ বলার অধিকার ইউরোপ-আমেরিকা-আফ্রিকার বেশিরভাগ দেশের শ্বেতাঙ্গদেরই নেই। এটা ওদের মিথ্যা দাবি।

ইসলাম টাইমস : দুটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যার পর থেকে নিউজিল্যান্ড সরকার যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছেন- এ বিষয়গুলোকে আপনি কোন চোখে দেখেন?

মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটানোর আগে বাহ্যিক দৃষ্টিতে যেটা মনে হয়- সেটা হচ্ছে, সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দুর্বলতা ছিল। সেদেশের অতি সংখ্যালঘু একটি ধর্মীয় সম্প্রদায় (মুসলিম) তাদের সাপ্তাহিক জুমার নামাজে জমায়েত হন- এ সময় ন্যুনতম একটা নিরাপত্তা থাকার কথা ছিল- তাদের দেশের নিরাপত্তামান অনুযায়ী। ঘটনার পর পুলিশ পৌঁছতেও দেরি হয়েছে। তবে যেহেতু নিউজিল্যান্ড একটি শান্ত রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত, হয়তো তারা চিন্তাও করতে পারেনি- এমন ভয়াবহ হামলা হতে পারে। আবার হত্যাকারী সন্ত্রাসটি নিউজিল্যান্ডের নাগরিকও ছিল না, ছিল অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক।

এখানে অবশ্য অন্য একটি প্রশ্ন সৃষ্টি হয় যে, ঘটনার অল্পক্ষণ পরই অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী এই সন্ত্রাসীর পরিচয় জানিয়ে বলেন, সে উগ্রপন্থী শ্বেতাঙ্গ ও সন্ত্রাসী। আমার কথা হলো, এই দ্রুত ও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ-ব্যবস্থার যুগে তার দেশের একজন সন্ত্রাসী নিউজিল্যান্ডে যাচ্ছে, এটা তো প্রশাসনিকভাবে জানাজানি করে রাখার কথা। যেখানে ঘটনার পরপরই তারা খুনির পরিচয়টা বলতে পেরেছেন, তা হলে তো আগেও তার সম্পর্কে তারা জানতেন। সতর্কতামূলক তথ্য তারা কেন নিউজিল্যান্ডে পাঠালেন না- কিংবা তথ্য আদান-প্রদান করলেন না! যেখানে তাদের দৃষ্টিতে ‘জঙ্গিবাদের’ অভিযোগে অভিযুক্ত কোনো মানুষ এশিয়ার কোনো গ্রামে পড়ে থাকলেও তারা তার ব্যাপারে বারবার তথ্য চালাচালি করতে পারে, ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হইচই করতে পারে। টেরেন্টের ব্যাপারে তাদের এই সক্ষমতাটা দেখা যায়নি।

তবে সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর থেকে নিউজিল্যান্ড সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে ও নিচ্ছে- এ সবের জন্য তাদরে সাধুবাদ জানাতে চাই। আপনি লক্ষ করলে দেখবেন, নিউজিল্যান্ড সরকার এমন একটি ঘটনার পর যা যা করছে, তা এ জাতীয় ঘটনার ক্ষেত্রে অন্য পশ্চিমা দেশের চেয়ে ভিন্ন। শুরু থেকেই মুসলমানদের প্রতি সমবেদনা তো আছেই, সাথে সাথেই কার্যকর পদক্ষেপও নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। সন্ত্রাসী খুনিকে গ্রেফতার করে তার বিচার শুরু করেছে। তাদের দেশে বিদ্যমান অস্ত্র বহন আইনে বড় রকম সংশোধনী আনতে যাচ্ছে। মুসলমানদের সাথে সংহতি প্রকাশের জন্য প্রতীকী কিছু সম্মানজনক আচরণও করছে। মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিজাব পরে মুসলিম নারীদের মাঝে উপস্থিত হয়েছেন। তাদের পার্লামেন্টে বিশেষ সম্মান দিয়ে কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করানো হয়েছে। একজন নারী পুলিশ অফিসারকে দেখা গেছে, আরবিতে উচ্চারণ করার চেষ্টা করে হামদ-সালাত পড়ে বক্তব্য শুরু করেছেন। এর কোনোটাই তারা বিশ্বাস থেকে করেননি। করেছেন মুসলমান নাগরিকদের প্রতি সমবেদনা জানানো ও আস্থা জাগ্রত করনের জন্য। তাদের এই প্রতীকী সম্মাননা ও সৌজন্যের আচরণগুলো প্রশংসার দাবি রাখে। আমি বলবো, পশ্চিমের দেশগুলোর জন্য নিউজিল্যান্ডের এই পদক্ষেপ ও আচরণ থেকে শিক্ষা গ্রহণের অনেক কিছু রয়েছে।

ইসলাম টাইমস : ইউরোপ-আমেরিকার মতো দেশে এ জাতীয় মুসলিমবিরোধী সন্ত্রাসী ঘটনা বন্ধ হওয়া বা এ জাতীয় ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় কী হতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : শুধু একজন-দুজন টেরেন্ট ব্রেনটনকে শাস্তি দিয়ে এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটানো যাবে না। এর জন্য বিশ্বের বড় বড় রাষ্ট্রনায়ক, নেতা, রাজনীতিবিদ, মিডিয়া, থিংকট্যাংক বা বুদ্ধিজীবী- এদের সবার দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্প হাতে নিতে হবে। বিশ্বের মোড়লদের দ্বিচারিতা ছাড়তে হবে। আন্তরিকতার সাথে সহমর্মিতা ও শান্তিপূর্ণ অবস্থা রক্ষার জন্য কাজ করতে হবে। দেশে দেশে আজ যে চরমপন্থী জাতীয়তাবাদী বা সন্ত্রাসী তৈরি হচ্ছে, এসব মহলের উসকানির ফলেই হচ্ছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশটির কথাই বলুন, আর আমেরিকার কথাই বলুন- চরমপন্থী জাতিবিদ্বেষী মানসিকতা ওইসব দেশের উপর থেকে উসকে দেয়া হচ্ছে। এতে তৈরি হচ্ছে ধর্মে ধর্মে হানাহানি ও বর্ণবাদী রাজনীতি। গায়ের জোরে অপর জাতি-গোষ্ঠীকে দমিয়ে দেয়ার মানসিকতা বড় দেশের বড় কর্তাদের ত্যাগ করতে হবে।

নিউজিল্যান্ডের ঘটনাটি চরমপন্থী কোনো লোকের আত্মঘাতী ঘটনার চেয়েও জঘন্য। সব যুগেই প্রত্যেক জাতি-গোষ্ঠীর কিছু উগ্র লোকের কারণে কিছু বাড়াবাড়ির ঘটনা ঘটে থাকে। কিন্তু বর্ণবাদের মতো জঘন্য বিষয় আর নেই। ইসলামে তো শুরু থেকেই বর্ণবাদ নিষিদ্ধ। আধুনিক পৃথিবীতেও আইন করে বর্ণবাদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় নেলসন মান্ডেলার আন্দোলনের পর বর্ণবাদ বিরোধী আইনকানুন মজবুত করা হয়েছে। তারপরও পশ্চিমা পৃথিবীর বড় বড় রাজনীতিকরা এই ‘হোয়াইট সুপ্রিমেসি’ বা শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের ধারণা নিয়ে রাজনীতি করছে ও হিংসা ছড়িয়ে দিচ্ছে। পৃথিবীর জন্য চরম ও অসহ্যকর একটি ব্যাপার এই বর্ণবাদ। আমার মতে বর্ণবাদী এই মতাদর্শের কোনো রকম প্রচার করাই ঠিক না। একটা বড় গোষ্ঠী এই বর্ণবাদের ভিত্তিতে আজ দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। এর গোড়ায় হাত না দিলে, এটা ধ্বংস না করলে দুনিয়ায় মনুষ্যত্ত্ব টিকে থাকবে না। ধর্মীয় ভিত্তিতে বিভাজন ও বিদ্বেষ সেটাকে আরও ভয়ংকর পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এটার গতি যদি রুখে দেয়া না যায়- তা হলে পরিস্থিতি সবার জন্যই সংকটজনক হয়ে উঠবে।

ইসলাম টাইমস : সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে শুকরিয়া।

মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : আপনাকেও শুকরিয়া।

পূর্ববর্তি সংবাদরাখাইনে চলছে বিমান হামলা, প্রাণভয়ে পালাচ্ছে মানুষ
পরবর্তি সংবাদক্রাইস্টচার্চ ট্রাজেডির এক সপ্তাহ : নিউজিল্যান্ডের পত্রিকায় ‘সালাম’ প্রচার, স্মরণসভায় মানুষের ঢল