সম্রাট হোটেলে তরুণ – তরুণীর লাশ, মৃত্যুর কারণ নিয়ে যা বলল পুলিশ

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: রাজধানীর তেজগাঁও থানাধীন ফার্মগেটের সম্রাট হোটেলের কক্ষে নিহত তরুণ-তরুণীরা  স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওই হোটেলে উঠেছিলেন বলে জানা গেছে। উত্তেজক ওষুধ সেবনে তাদের মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। এ ছাড়া প্রাথমিক তদন্তে তাদের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

সম্রাট হোটেলের কর্মচারী রোস্তম আলী গণমাধ্যমকে বলেন, সোমবার বিকালে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেল কক্ষ ভাড়া নিয়েছিলেন ওই তরুণ-তরুণী।

মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত তাদের রুমের দরজা বন্ধ ছিল। অনেক ডাকাডাকি করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে পুলিশে খবর দেয়া হয়। পুলিশ গিয়ে হোটেলের ৮ম তলার ৮০৮ নম্বর কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতর থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে।

তেজগাঁও থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে খবর পেয়ে ওই হোটেল কক্ষের দরজা ভেঙে দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়। তারা সোমবার বিকালে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে এ হোটেলে উঠেছিলেন।

তেজগাঁও থানার এসআই শরিফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, হোটেল কক্ষের খাটের ওপরে ছিল আমিনুল ইসলাম সজলের লাশ। আর ফ্লোরে পড়েছিল মরিয়ম আক্তার জেরিনের বিবস্ত্র মৃতদেহ। তাদের ব্যাগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড পাওয়া গেছে।

আমিনুল ইসলাম সজল তেজগাঁও সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও মরিয়ম আক্তার জেরিন বেসরকারি ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী।

তিনি জানান, ওই হোটেল কক্ষ থেকে উত্তেজক ওষুধের খোসাও উদ্ধার করা হয়েছে। উত্তেজক ওষুধ সেবনে তাদের মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। এ ছাড়া প্রাথমিক তদন্তে তাদের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

অবশ্য নিহত মরিয়মের বাবা গণমাধ্যমকে বলেন, আমি আমার মেয়েকে চিনি। আমার মেয়ে কোনো অনৈতিক কাজ করতে পারে না। আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাইতে আদালতে যাব। তিনি বলেন, লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর আমি মামলায় যাব।

পূর্ববর্তি সংবাদঢাকা টু রাজশাহী রুটে চালু হতে যাচ্ছে বিরতিহীন ট্রেন
পরবর্তি সংবাদঢাকায় ডাকাতির অভিযোগে পুলিশ পরিদর্শক গ্রেফতার