অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় নাম আছে, বর্ণনায় নেই ওসি ও দুই এসআইয়ের কথা

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী মিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ, ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে মামলা হয়েছে। তবে মামলার এজাহারের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপহরণ ও গণধর্ষণের অভিযোগ থাকলেও অভিযোগের বর্ণনায় ওসি এবং দুই এসআইয়ের বিরুদ্ধে অপহরণ ও গণধর্ষণের কোনও অভিযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ৩-এর বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দারের আদালতে মামলাটি করেন এক নারী।

আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন যাত্রাবাড়ী থানার এস আই (উপ-পরিদর্শক) আ স ম মাহমুদুল হাসান ও মোছা. লাইজু এবং মো. শফিকুল ইসলাম রনি, মো. সাগর, মো. শামীম, মো. আলাউদ্দিন দেলোয়ার হোসেন, মো. হানিফ, মো. স্বপন, বিলকিস আক্তার শিলা ও ফারজানা আক্তার শশী।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ‘বাদী অর্থাৎ ভিকটিম তালাকপ্রাপ্ত নারী। তার দুই সন্তান রয়েছে। অভাব অনটনের মাধ্যমে সংসার চলে। গত ১২ মার্চ আসামি শফিকুল ইসলাম রনি বাদীকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে। সে হিসেবে ফারজানা আক্তার শশি ও বিলকিস আক্তার তাকে তাদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। এরপর তাদের সহযোগিতায় বাড়ির মালিকের ছেলে আসামি স্বপন তাকে জোর করে ধর্ষণ করে। বাদীর চিৎকারে শশি ও শিলা তার গলায় বটি ঠেকিয়ে মেরে ফেলার এবং ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। এরপর আসামি জীবন, বিপ্লব, হানিফ, সাগর ও আলাউদ্দিনসহ ১০ থেক ১২ জন লোক ইয়াবা সেবন করে বাদীকে মারধরসহ ধর্ষণ করে।’

অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘পরবর্তীতে বাদী ওই ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকার করে। এরপর এসআই লাইজু বাদীকে প্রস্তাব দেন- ওসি ওয়াজেদ, এসআই প্রদীপ কুমার ও আয়ান মামুদকে এক লাখ টাকা ঘুষ দিলে ধর্ষণের মামলা হবে। না দিলে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হবে। পরে গত ১৮ মার্চ ঘুষের টাকা না দিতে পারায় বাদীকে পতিতা সাজিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।’

পূর্ববর্তি সংবাদরাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার হামলা, ৫ রোহিঙ্গা মুসলিম নিহত
পরবর্তি সংবাদড. কামালের `ধমক’ খেয়ে বেরিয়ে গেলেন মোকাব্বির খান