রাজশাহীতে কঙ্কাল বিক্রির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের মারামারি

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: গতকাল কঙ্কাল বিক্রির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মারামারিতে রাজশাহী ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) এ  ১১ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনির্দিষ্টকালের জন্য ইনস্টিটিউটটি  বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। আজ বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে ছাত্রাবাস খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় ছাত্রলীগের আইএইচটি শাখার সাধারণ সম্পাদক ওহিদুজ্জামান বাদী হয়ে নগরের রাজপাড়া থানায় সভাপতিসহ আটজনকে আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ছাড়া আহত শিক্ষার্থী নাফিউল ইসলামের মা শরীফা বানু বাদী হয়ে একই ঘটনায় অপর একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

জানা যায়, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তৃতীয় বর্ষের তিনজন শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের দুই নম্বর গ্যালারিতে কঙ্কাল বিক্রি জন্য প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে যান। এই তিনজন শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের আইএইচটি শাখার সাধারণ সম্পাদক ওহিদুজ্জামানের অনুসারী। সেখানে সভাপতির অনুসারী প্রথম বর্ষের ছাত্র সাইফুল ইসলামের সঙ্গে ওই তিন শিক্ষার্থীর কথা–কাটাকাটি হয়। তিন শিক্ষার্থী বেরিয়ে চলে আসেন। তাঁরা সভাপতির কাছে মীমাংসার জন্য যান। সেখানেই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

সাধারণ সম্পাদক ওহিদুজ্জামান অভিযোগ করেন, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। পরে শুনেছেন, সভাপতির সমর্থকেরা তাঁর উপস্থিতিতেই শামীম ছাত্রাবাসে ঢুকে তাঁর (সাধারণ সম্পাদকের) নিজের এবং সমর্থকদের তিনটি কক্ষ ও মসজিদের জানালার কাচ ভাঙচুর করেন। সাধারণ সম্পাদকের অভিযোগ, সভাপতির অনুসারীরা তাঁর কক্ষের টেবিলের ড্রয়ার ভেঙে নগদ টাকা ও ৩১০ নম্বর কক্ষ থেকে ল্যাপটপ লুট করে নিয়ে যান। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

নগরের রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। সেখান থেকে লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় দুটি অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্তপূর্বক এ ব্যাপারে মামলা নেওয়া হবে।

এর আগে ছাত্রলীগের মারামারির কারণে ২০১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর একইভাবে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। সে সময় ছাত্রলীগের ওই কমিটি বাতিল করা হয়েছিল এবং ছাত্রলীগের চার নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

পূর্ববর্তি সংবাদমোদিই গুজরাটে হট্টগোল বাধিঁয়েছিল, মমতা
পরবর্তি সংবাদগ্রিন লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষ এখনো যোগাযোগ করেনি রাসেলের সাথে