আবরার আবদুল্লাহ ।।
সম্মিলিত কওমি শিক্ষাবোর্ড আল-হাইয়াতুল উলয়া লিল-জামিয়াতিল কওমি বাংলাদেশ-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস বিষয়ক তদন্তের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তদন্ত কমিটির একাধিক সদস্য। আগামী ২৩ এপ্রিলের মধ্যে তদন্তের কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।
তবে ২৩ এপ্রিলের পরীক্ষার প্রস্তুতির কারণে তদন্তের কাজ কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করেছেন কয়েকজন সদস্য।
তদন্ত কমিটির একাধিক সদস্য ইসলাম টাইমসকে জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত দুইজন তাদের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের জবানবন্দিতে সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকজনের নাম বেরিয়ে এসেছে।
এছাড়া বরিশালের একটি মহিলা মাদরাসার বিরুদ্ধে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেই মাদরাসার সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলকে উপস্থিত করারও চেষ্টা চলছে। সিলেট অঞ্চলের একজনের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেয়েছেন তারা।
তারা আরও জানান, প্রশ্নফাঁসের সাথে জড়িত সকলকে জবাবদিহির মুখোমুখি করতে তারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে কথা বলছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আইনি ব্যবস্থা কী হতে পারে তা নিয়ে আইনজীবীদের সাথেও আলোচনা হচ্ছে। তবে ময়মনসিংহ থেকে আটক ব্যক্তিকে এখনি আইনের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে না। অবশ্য আগামী সপ্তাহে স্থানীয় শীর্ষ আলেমরা তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অঙ্গীকার করেছেন।
তদন্ত কমিটির সদস্যরা ইসলাম টাইমসকে এটাও জানিয়েছেন যে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। তাদের ব্যাপারে প্রাতিষ্ঠানিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কী হবে সে বিষয়ে হাইয়ার আগামী বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে ঢাকার যে দুটি বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম শোনা যাচ্ছিলো তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ খুঁজে পাননি বলে দাবি করেছেন তদন্ত কমিটির সদস্যগণ। অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে অভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা।
















