ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ওয়াসার ‘শতভাগ বিশুদ্ধ’ পানির শরবত বানিয়ে এমডিকে খাওয়ানোর কর্মসূচি পালনকালে নেতৃত্বে থাকা মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তি বলেন, “এমডির জন্য ওয়াসার বিভিন্ন কলের পানি নিয়ে এসেছি। যদি তার ডায়াবেটিস থাকে, তা হলে শুধু লেবু দিয়ে শরবত তৈরি করে খাওয়াব। তিনি খেয়ে বলবেন- পানি কতটুকু সুপেয়”।
ঢাকা ওয়াসার সরবরাহ করা পানি দিয়ে এমডিকে শরবত বানিয়ে খাওয়াতে ওয়াসা ভবনের সামনে অপেক্ষা করছেন রাজধানীর জুরাইনের বাসিন্দারা।
তবে জুরাইনবাসীর নিয়ে যাওয়া শরবত আজ খাবেন না বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রকৌশলী কেএম সহিদ উদ্দিন। জুরাইন এলাকার পাইপলাইন ঠিক করে শরবত খাবেন তিনি।
সহিদ উদ্দিন এ সময় বলেন, পাইপলাইনের ত্রুটির কারণে ওয়াসার পানি দূষিত হয়ে থাকতে পারে, তবে ওয়াসার পানি সুপেয়। জুরাইন এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগের কথা আমরা শুনেছি। খুব শিগগির এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেন, জুরাইনবাসীর সমস্যার কথা আমরা উপলব্ধি করেছি। আজ শরবত খাব না। পানির লাইন ঠিক করেই শরবত খাব।
ব্যতিক্রমী এ কর্মসূচি ঘিরে ওয়াসা ভবনের সামনে লোকজনের জটলা তৈরি হয়েছে। জুরাইনবাসীর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন পথচারীরাও। এ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেয়া মিজানুর রহমান তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে জগ বের করে জুরাইন এলাকার পানি বের করে গ্লাসে ঢেলেছেন। এই পানি দিয়ে শরবত বানিয়েছেন তিনি। এটি ওয়াসার এমডিকে খাওয়াতে চান তিনি।
মিজানুর রহমানের ভাষ্য, আমাদের এলাকায় ওয়াসার পানি ড্রেনের পানির মতো অপরিষ্কার। ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত এ পানি কাপড় কাচায়ও ব্যবহার করা যায় না। এটি তো খাওয়া দূরের কথা, গন্ধে হাতে নেয়াই দায়। এ অবস্থায় ওয়াসার এমডি কীভাবে বলেন- ওয়াসার পানি শতভাগ সুপেয় ও বিশুদ্ধ! তাই আমরা এই ‘বিশুদ্ধ পানি’ দিয়ে শরবত বানিয়ে উনাকে খাওয়াতে এসেছি। দেখি উনি কী করেন।
















