ইসলাম টাইমস ডেস্ক: গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে বাস থেকে চালককে নামিয়ে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ ৮৭ (৬৮টি আন্তঃজেলা ও ১৯টি স্থানীয়) রুটে চলছে পরিবহন ধর্মঘট।
বুধবার দুপুরে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে ইয়াবা তল্লাশির নামে বাসচালক জালাল উদ্দিনকে হত্যার ঘটনায় নগরীর কর্ণফুলী থানায় মামলা হয়েছে। নিহতের ছোট ভাই জুয়েল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।
বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকে শুরু এ ধর্মঘট আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে বলে জানা গেছে।
এদিকে জালালের নিজ শহর দিনাজপুরেও অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ডেকেছেন পরিবহন শ্রমিকরা।
অপরদিকে ধর্মঘট প্রত্যাহারে বুধবার বিকাল ৫টায় পরিবহন শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বৈঠক করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন। এতে জেলা পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনাসহ পুলিশের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকে প্রশাসনের ডাকে সাড়া দেননি শ্রমিক নেতারা।
তারা ধর্মঘটের পক্ষে অনড় অবস্থান নিয়ে আজ বেলা ১১টায় শ্রমিক ফেডারেশন কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক আহ্বান করেছেন। এ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হবে কিনা।
উল্লেখ্য, সোমবার রাত ৮টায় কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে আসে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস। পথে পটিয়া ও কর্ণফুলী উপজেলাসংলগ্ন শিকলবাহা সেতু এলাকায় বাসটিকে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে থামায় অন্তত ৭ ব্যক্তি। তারা বাসে উঠে চালক জালালের হাতে হাতকড়া পরিয়ে ইয়াবা বের করে দিতে বলে।
ইয়াবা নেই বলে জানালে চালককে লাথি মেরে ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গাড়ি থেকে নামিয়ে অন্ধকার জায়গায় নিয়ে যায়। মুমূর্ষু জালালকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
















