ইসলাম টাইমস ডেস্ক: বন্যায় জামালপুরে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। তাদের কাছে এখনও পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী পৌঁছেনি। সেখানে খোলা হয়নি পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র। আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় অনেক মানুষ রাস্তা, রেলওয়ে স্টেশন ও বাঁধের ওপর আশ্রয় নিয়েছে। তাদের মধ্যে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
সবচেয়ে বড় বিপদে আছে শিশুরা। তাদের খাবারের সংকট চরম। আসলে খাবারই এখন শিশুসহ সব দুর্গত মানুষের প্রধান চ্যালেঞ্জ।
সবচেয়ে বন্যাদুর্গত উপজেলা ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভাসহ সবগুলো ইউনিয়নের বেশির ভাগ অংশ বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। জেলার সাতটি উপজেলার ৬৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫২টি ইউনিয়ন, ৫টি পৌরসভা বন্যাকবলিত। ইসলামপুর থেকে দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। সারা জেলায় বন্যার কারণে প্রায় ৩০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান বন্ধ রয়েছে। ২৮টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলার কথা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
দেওয়ানগঞ্জের গুজিমারি, চুকাইবাড়ী, চিকাজানী, আজিমপুরা, বালুগ্রাম, দক্ষিণ বালুগ্রাম, ইসলামপুরের বেলগাছা, জারুলতলা, পাথর্শী, মুরাদাবাদ ও কুলকান্দি গ্রামে নৌকায় গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি ঘর পানিতে তলিয়ে আছে। গ্রামগুলো প্রায় জনশূন্য।
জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) রাজীব কুমার সরকার বলেন, এই মুহূর্তে তাঁদের কাছে কোনো ত্রাণসামগ্রী নেই। তবে দ্রুত ত্রাণসামগ্রী পাঠানোর জন্য বরাদ্দ চেয়ে পাঠিয়েছেন। হয়তো শিগগিরই নতুন করে আরও বরাদ্দ পাওয়া যাবে। বরাদ্দ পেলেই ত্রাণসামগ্রী পৌঁছানো হবে।
















