ইসলাম টাইমস ডেস্ক: পাস্তুরিত দুধে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিটারজেন্টসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান আছে কি না, সে বিষয়ে চারটি প্রতিষ্ঠানের ল্যাবের পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে বিএসটিআই। এ প্রতিবেদনগুলো হলফনামা আকারে দাখিল এবং দাখিলের পর রিটকারী পক্ষ এগুলো দেখতে সময় চেয়ে আবেদনের পর শুনানি ২৮ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি করেন আদালত।
বুধবার (২৪ জুলাই) বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানির এ দিন নির্ধারণ করেন।
আদালতে বিএসটিআইয়ের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার সরকার এম আর হাসান। আর রিটের পক্ষে ছিলেন রিটকারী ব্যারিস্টার অনিক আর হক ও আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ।
পরে সরকার এম আর হাসান বলেন, চারটি প্রতিবেদন এসেছে। আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য রবিবার (২৮ জুলাই) দিন ধার্য রেখেছেন। এ সময়ের মধ্যে প্রতিবেদনগুলো হলফনামা আকারে দাখিল করব।
গত ১৪ জুলাই এক আদেশে বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স করা সব ব্র্যান্ডের পাস্তুরিত দুধে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিটারজেন্টসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান আছে কি না, তা এক সপ্তাহের মধ্যে পরীক্ষা করতে চারটি ল্যাবে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
চারটি ল্যাব হলো- ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়রিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) ও সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণাগার।
বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, আইসিডিডিআরবি এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের ল্যাবরেটরিতে পাস্তুরিত দুধের নমুনা পরীক্ষা করে গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) হাইকোর্টে তিনটি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। কিন্তু জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি।
প্রসঙ্গত পাস্তুরিত দুধ নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়রিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) গবেষণা প্রতিবেদন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজারে থাকা ৭৫ শতাংশ পাস্তুরিত দুধেই ভেজাল ধরা পড়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি। ওই প্রতিবেদন সংযুক্ত করে রিট করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী তানভীর আহমেদ।
















