ইসলাম টাইমস ডেস্ক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট আমেরিকার আনবিক বোমায় মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয় জাপানের হিরোশিমা। এর তিন দিন পর দেশটির নাগাসাকিতেও বোমার সেই নারকীয়তা ছড়িয়ে দেয় আমেরিকা। স্মরণকালের ভয়াবহতার ক্ষতচিহ্ন আজও বয়ে বেড়াচ্ছে হিরোশিমা ও নাগাসাকির মানুষ। হিরোশিমার ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গতকাল নানা আয়োজনে দিবসটি পালন করেছে।
জাপান-বাংলা পিস ফাউন্ডেশন : ‘নো মোর হিরোশিমা, নো মোর নাগাসাকি, এ ট্র্যাজেডি নেভার টু বি রিপিটেড’ স্লোগানে হিরোশিমা দিবস ২০১৯ পালন করেছে জাপান-বাংলা পিস ফাউন্ডেশন।
সন্ধ্যায় জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনের এ আয়োজন সাজানো ছিল হিরোশিমা-নাগাসাকি ট্র্যাজেডি স্মরণে সচেতনতামূলক পোস্টার ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী দিয়ে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোইয়াসু ইজুমি।
হিরোশিমা-নাগাসাকি ট্র্যাজেডির ভয়াবহতা তুলে ধরে যুদ্ধবিরোধী মূল বক্তব্য দেন জাপান-বাংলা পিস ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা ড. এস আই খান।
১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমা শহরে পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম পারমাণবিক বোমা হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় তখন সকাল ৮টা ১৫ মিনিট।
আগেই নির্দেশনা দিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্র–ম্যান। মার্কিন বি-টুয়েন্টি নাইন বোমারু বিমান থেকে হিরোশিমায় ফেলা হয় আণবিক বোমা ‘লিটল বয়’। বোমাটি প্রায় ৫০০ মিটার উঁচুতে বিস্ফোরিত হয়। এতে তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় দেড় লাখ মানুষ নিহত হন। তখনও ঘুমের মধ্যেই ছিলেন বেশির ভাগ মানুষ। মাটির সঙ্গে মিশে যায় বেশির ভাগ স্থাপনা।
















