জাতীয় চরিত্রকে অন্তঃসারশূন্য করে ফেলেছে মাদক ও সন্ত্রাস : সৈয়দ ফয়জুল করীম

ইসলাম টাইমস ডেস্ক :  ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, শুধু শিক্ষিত হলেই সমাজে শান্তি আসে না, চরিত্রই সামাজিক শান্তির মানদণ্ড। শিক্ষা ও জিডিপির সূচকে দেশ যতই অগ্রসর হচ্ছে, দুর্নীতিতে ততোই তলিয়ে যাচ্ছে।

যে দেশের এমপি, মন্ত্রী, ডিসি, এসপিরা মাদক, নারী কেলেঙ্কারি, ঘুষ, দুর্নীতিতে জড়িত থাকে, সে দেশের নৈতিক মুক্তির আশা করা সুদূর পরাহত।

আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে “মাদক, সন্ত্রাস ও উগ্রবাদের সয়লাব থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় আমাদের করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম আরও বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ থেকে সমাজকে মুক্তি দিতে হলে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে নীতিবান হতে হবে। এছাড়াও তিনি চলমান রোহিঙ্গা ও কাশ্মীর সংকটকে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মন্তব্য করেন।

উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে ইসলামী যুব আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শরিফুল ইসলাম বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও উগ্রবাদের সঙ্গে সমাজের বিরাট অংশ জড়িত। বিশেষত যুবসমাজ এই সয়লাবে বেশি আক্রান্ত। নৈতিকতা, আধ্যাত্মিকতা এবং ধর্মীয় অনুশাসনের চর্চায় যুবসমাজকে দীক্ষিত হতে হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, উত্তরের সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ। এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনা করেন, ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, ইশা ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ, যুবনেতা জানে আলম সোহেল, মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, হাফিজুল ইসলাম, রাশেদ বিন মুঈন, কে.এম শামিম আহমেদ, এইচ এম আবু বকর, মাওলানা আল আমিন, জুবায়ের আহমদ জুবেল প্রমুখ।

 

 

পূর্ববর্তি সংবাদবিরোধীমত দমনে কাশ্মীরে পাশবিকতা চালাচ্ছে সরকার: মমতা
পরবর্তি সংবাদএকসাথে অনেক মুরগী জবাই করলে প্রত্যেকটির শুরুতেই কি বিসমিল্লাহ বলতে হবে?