কাশ্মীরের স্বাধীনতা দাবীর সাথে একাত্মতা ঘোষণা করলো ‘কাশ্মীর সংহতি ফোরাম’

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও ঢাকা মহানগর সভাপতি আল্লামা নুর হুসাইন কাসেমী বলেন,   ১৯৪৮ সালের ১৩ আগষ্ট জাতিসংঘের রেজ্যুলেশনে বলা আছে, গণভোটের মাধ্যমে কাশ্মীরের জনগণ তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। এটাই প্রমাণ করে কাশ্মীর কখনো ভারতের অংশ ছিল না।

তিনি বলেন, কাশ্মীরীদের স্বাধীনতার আন্দোলন ন্যায্য এবং বাস্তবসম্মত। ‘কাশ্মীর সংহতি ফোরাম’ আজকের সমাবেশ থেকে কাশ্মীরের স্বাধীনতা দাবীর সাথে একাত্মতা ঘোষণা করছে।

আজ জুমার নামাজ পর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে “সর্বদলীয় কাশ্মীর সংহতি ফোরাম” কর্তৃক আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি বলেন, ভারত ৩৭০ ধারা তুলে নেয়ার পর কাশ্মীর স্বাধীন। তারা এই ধারা প্রয়োগ করেও প্রমাণ করেছিল কাশ্মীর স্বাধীন রাস্ট্র। এখন কাশ্মীরের মানুষ স্বাধীনতা চায়। আমরাও তাদের সহায়তার জন্য প্রস্তুত থাকবো। তবে আমরা শান্তিপুর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাব।

তিনি বলেন, সেখান থেকে এসে ভারত সংবিধানে ৩৭০ ধারা যুক্ত করে কাশ্মীরকে ভারতের সাথে যুক্ত করে আবারও প্রমাণ করে সেটা তাদের অংশ ছিল না। এখন ৩৭০ ধারাই প্রমাণ করে কাশ্মীর আজাদ। কাশ্মীরের জনগণ আজাদী চায়। তারা আজাদীর জন্য লড়াই করছে। তারা স্বাধীনতা চায়। আমরাও তাদের স্বাধীনতার পক্ষে একাত্মতা ঘোষণা করছি।

“সর্বদলীয় কাশ্মীর সংহতি ফোরামের” বিক্ষোভ সমাবেশে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের আমির ড. ঈসা শাহেদী, খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মজিবুর রহমান হামিদী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরীর সভাপতি মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের সভাপতি মাওলানা মামুনুল হক বক্তব্য রাখেন।

 

 

 

পূর্ববর্তি সংবাদকর্মক্ষেত্রে পরিবার সাথে না রাখা ডিসিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার
পরবর্তি সংবাদ১৫ আগস্টে একটি দেশের ইতিহাস মুছে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল