ইসলাম টাইমস ডেস্ক: পহেলা সেপ্টেম্বর রোববার থেকে ছাদে উঠলে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে বলে রেল বিভাগের পক্ষ থেকে এক গণ-বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
আর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে কিছু পদক্ষেপও নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
যেমন, বড় স্টেশনগুলোতে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) উপস্থিতি বাড়ানো হচ্ছে।
কমলাপুর স্টেশনে আরএনবির একজন কর্মচারী, নাম প্রকাশ না করার শর্তে, বিবিসিকে বলেন, কোরবানির ঈদের পর থেকেই ট্রেনের ছাদে উঠে যেন কেউ ভ্রমণ করতে না পারে সেদিকে নজর বাড়ানো হয়েছে।
ট্রেনের ছাদে চড়া বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও এই দৃশ্য একেবারেই স্বাভাবিক।
বিশেষত ঈদের আগে-পরে কিছু রুটে ট্রেনের ভেতরে যত তার চেয়ে ছাদে যাত্রীর সংখ্যা বেশি ছাড়া কম থাকে না।
শুধু যে টিকেট না পেয়ে ছাদে ওঠেন অনেক যাত্রী তা নয়, বিনা পয়সায় যাতায়াতের উদ্দেশ্যেও অনেকে জীবনের ঝুঁকি নেন।
এ নিয়ে মাঝে মধ্যে দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন মহল থেকে উদ্বেগ প্রকাশ হয়েছে। তারপরও কখনই এই ছাদে চড়ে ভ্রমণ থামেনি।
রেলওয়ে পুলিশ সদস্যদের থেকে জানা যায় ছাদে ওঠা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রধান প্রতিবন্ধকতা লোকবলের সঙ্কট। সেই সাথে লঘুদণ্ডের কথাও বলেছেনে রেল পুলিশের বেশ ক’জন।
ঢাকা জেলার রেল পুলিশের পরিদর্শক সাইফুল্লাহ আল মামুন বলেন, এই আইন বাস্তবায়ন সম্ভব, তবে প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ হতে পারে।
“অনেক সময়ই দেখা যায় ট্রেনের ভেতরে জায়গা থাকলেও মানুষ ছাদে উঠে বসে আছে। মানুষের অভ্যাসের পরিবর্তনের চেষ্টা করাটাই আমাদের মূল লক্ষ্য ।”
















