ইসলাম টাইমস ডেস্ক: কয়েক প্রজন্ম ধরে জর্দান উপত্যকায় বসবাস করছেন ফিলিস্তিনি কৃষকরা। সুফলা এই ভূমিতে চাষাবাদ করেই জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে তাদের। এবার সেই ভূখণ্ডকে অবৈধ রাষ্ট্রটিতে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।
জিফটলিক গ্রামের ৫৫ বছর বয়সী কৃষক হাসসান আল আবেদি বলেন, আমরা নেতানিয়াহু ও তার ভক্তদের বলছি তোমরা কখনই আমাদের ইচ্ছাশক্তিকে ভাঙতে পারবে না, কখনো না, কখনই না। ‘এটি আমাদের বাপ-দাদাদের ভূমি। যতই মূল্য দিতে হোক না কেন, কখনই তা ছাড়ব না।’
জাবিদাত গ্রামে বসবাস করেন ৭৫ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি ইসমাইল হাসান। তিনি বলেন, এটি নেতানিয়াহুর ভূমি না যে দিয়ে দেব। সে নির্বাচনে বিজয়ী কিংবা পরাজিত হোক, তা আমাদের দেখার বিষয় নয়; আমরা এটি মেনে নেব না। এই বৃদ্ধ বলেন, এই ভূমি ফিলিস্তিনের, ফিলিস্তিনিদের।
মঙ্গলবার কট্টরপন্থী নেতানিয়াহু ঘোষণা করেন, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের পুনর্নির্বাচনের কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হতে পারলে জর্দান উপত্যকা ও তার নিকটবর্তী মৃতসাগরের উত্তরাঞ্চলে ইসরাইলি সার্বভৌমত্ব আরোপের পরিকল্পনা নিয়েছেন তিনি।
আরব বিশ্ব ও ফিলিস্তিনি নেতারা তার এই পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছেন। অধিকৃত পশ্চিমতীর ও অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা নিয়ে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চান তারা।
নেতানিয়াহুর ওই পরিকল্পনায় আন্তর্জাতিক আইনের মারাত্মক লঙ্ঘন ঘটবে বলে জানিয়েছেন জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। ফিলিস্তিনি নেতৃবৃন্দ বলছেন, নব্বইয়ের দশক থেকে নিরাপত্তা সহযোগিতাসহ দুই পক্ষের মধ্যে বিভিন্ন শান্তিচুক্তি ও তার বাধ্যবাধকতা এতে অকার্যকর হয়ে যাবে।
সূত্র: রয়টার্স
















