ইসলাম টাইমস ডেস্ক: কয়েক বছর ধরেই ধর্মান্তকরণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে ভারত। এবার ভারত সরকার নির্দেশ দিয়েছে, যেসব এনজিও বিদেশ থেকে তহবিল পেয়ে থাকে তাদের কর্মীদের মুচলেকা দিয়ে জানাতে হবে যে তারা ধর্মান্তরিত করার ঘটনায় যুক্ত নন অথবা তাদের বিরুদ্ধে ওই ধরনের কোনও মামলা হয়নি।
ভারতে বিদেশি সাহায্যপ্রাপ্ত এনজিওগুলোর কার্যকলাপে সরকার নানা বিধিনিষেধ আরোপ করছে গত বেশ কয়েক বছর ধরেই, আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই পদক্ষেপ তাতে সবশেষ সংযোজন।
শাসক দল বিজেপির নেতারা যুক্তি দিচ্ছেন, কার্যক্রমের আড়ালে বহু এনজিও জোর করে বা লোভ দেখিয়ে লোকজনকে ধর্মান্তরিত করছে বলেই এই মুচলেকা জরুরি – কিন্তু ভারতের বহু এনজিও-ই এই সিদ্ধান্তে প্রবলভাবে হতাশ।
বস্তুত ভারতে বিদেশি সাহায্যপ্রাপ্ত এনজিওগুলোর কার্যকলাপে ও বাইরে থেকে অনুদান পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা কড়াকড়ি আরোপ শুরু হয়েছে পাঁচ বছর আগে নরেন্দ্র মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার সময় থেকেই।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশে বলা হচ্ছে, এই এনজিওগুলোর কর্মীরা যে কখনও ধর্মান্তরে জড়িত ছিলেন না বা ধর্মান্তরের মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন না সেটাও তাদের হলফনামা দিয়ে বলতে হবে – নইলে সেই এনজিওকে ভারতে কাজ করতে দেওয়া হবে না।
বিজেপি তথা আরএসএসের তাত্ত্বিক নেতা ও রাজ্যসভার এমপি রাকেশ সিনহা বিবিসিকে বলছিলেন, “দেশে এমন অন্তত ১২৮টি এনজিও আছে, যারা সরকারের এফসিআরএ-কে জানিয়েছে তাদের কার্যকলাপের সঙ্গে ধর্মের কোনও সম্পর্ক নেই।”
“অথচ এদের ওয়েবসাইটে গেলেই আপনি দেখবেন এরা নিজেদের কেউ খ্রিষ্টান মানবতাবাদী, কেউ ক্যাথলিক বা কেউ জেসুইট দরদী বলে নিজেদের পরিচয় দিচ্ছে।”
















