ইসলাম টাইমস ডেস্ক : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) হলে হলে ম্যানার (আচার-আচরণ) শেখানোর নামে নবীন শিক্ষার্থীদের র্যাগিং করা হচ্ছে। চালানো হচ্ছে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন । ছাত্রলীগের ক্যাডারদের চড়-থাপ্পড়ে কয়েকজন শিক্ষার্থীর কান ফেটে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। গণরুম নামে পরিচিত ‘টর্চার সেলে’ নবীন শিক্ষার্থীদের টর্চার করা হয়।
তবে গণরুমকে ‘টর্চার সেল’ বলতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জাবি শাখা ছাত্রলীগ। বর্তমানে গণরুমে নির্যাতনের মাত্রা কমেছে বলে দাবি প্রশাসন ও ছাত্রলীগের।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের প্রথমে হলের গণরুমে উঠতে হয়। এখানে ওঠার পরপরই তারা নানা ধরনের টর্চারের শিকার হন। ছাত্রীহলে র্যাগিং বা টর্চার কম হলেও ছাত্রদের হলে মাত্রাতিরিক্ত টর্চার করা হয়। এর মধ্যে মীর মশাররফ হোসেন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে টর্চারের ঘটনা বেশি ঘটে।
নবীনদের নির্যাতন ছাড়াও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, নিজ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ‘চোর’ সন্দেহে পিটিয়ে হলছাড়া করা, ছিনতাই, শিক্ষক ও ছাত্রী লাঞ্ছনা, ক্যাম্পাসের ভেতর ও বাইরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি, তুচ্ছ ঘটনায় অস্ত্রের মহড়া এবং ভর্তি পরীক্ষায় বাধা সৃষ্টি করার মতো মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কমিটির সভাপতি অধ্যাপক বশির আহমেদ বলেন, র্যাগিং দীর্ঘদিনের সংস্কৃতি। তাই এটি নির্মূল করতে আমাদের একটু সময় লেগেছে। এখন র্যাগিং নেই বললেই চলে। এ বছর আমরা আরও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছি। হলে হলে শিক্ষকরা তদারকি করছেন। আশা করি, এ বছরই ক্যাম্পাস থেকে র্যাগিং নির্মূল হবে।
















