ইসলাম টাইমস ডেস্ক: রাজধানীর মুহাম্মাদপুরে দ্বীনি গবেষণা প্রতিষ্ঠান মা’হাদুল বুহুসিল ইসলামিয়ার বার্ষিক ওয়াজ ও দু‘আর মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল ১১ নভেম্বর সোমবার বসিলা গার্ডেন সিটি মাঠে।
বা’দ আসর থেকে শুরু হওয়া এ মাহফিলের সূচনা পর্বের বক্তব্যে মাওলানা আবূ সায়েম বলেন, এ সকল দ্বীনি মাহফিল আয়োজনের উদ্দেশ্য হচ্ছে, আল্লাহ ও রাসূলের পক্ষ থেকে উলামায়ে কেরামের নিকট অর্পিত আমানত জনগণের নিকট পৌঁছে দেয়া। সে আমানত যথাযথভাবে পৌঁছে দেয়ার জন্যেই আজকের এই আয়োজন।
বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ বলেন, আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআনে মুমিনের সফলতার যেসকল শর্ত উল্লেখ করেছেন আমরা যদি সেগুলো পূরণ করতে পারি, তাহলে আমরা পিতামাতা থেকে সম্পদের ওয়ারিস হওয়ার মতোই মজবুতভাবে জান্নাতুল ফিরদাউসের অধিকারী হবো।
বাদ এশা জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়ার মুহতামিম মাওলানা হিফজুর রহমান মুমিনপুরী সাহেব জীবনে ঈমান, ইসলাম, আমল ইত্যাদি নেয়ামতের কথা উল্লেখ করে বলেন, মুমিনের জীবনের সবচে’ গুরুত্বপূর্ন নেয়ামত হলো ইলমে দ্বীনের নেয়ামত। এই নেয়ামত থেকে বঞ্চিত হলে মুসলিম জাতির অবস্থা হবে বুখারা-সমরকন্দের মুসলমানদের মতো।
প্রধান মেহমান, দেশবরেণ্য আলেমে দ্বীন আল্লামা নূরুল ইসলাম ওলীপুরী বলেন, দ্বীনে ইসলাম একটি পরিপূর্ণ দ্বীন। এতে নতুন কোনো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার কোন অবকাশ নেই। করলে সেটা হবে বিদআত। বিদআত যদি কুফরের পর্যায়ের হয় তাহলে তো এর পরিণাম চিরদিনের জন্যে জাহান্নাম। আর কুফরের পর্যায়ের না হলেও সেটা গোমরাহী; এর কারণেও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জাহান্নামের আযাব ভোগ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে মা’হাদের প্রধান মুফতী ইবরাহীম হাসান সাহেব বলেন, ‘এখন রবিউল আউয়াল মাস। এমাসেই আগমন করেছেন রাসূল সা.। তাঁর আগমন আমাদের জন্য অবশ্যই খুশীর কারণ। তবে এ খুশী প্রকাশ করতে গিয়ে এবং রাসূল সা. কে মর্যাদা দিতে গিয়ে কোনো কুফর-শিরকে লিপ্ত হওয়া যাবে না।’
মা’হাদের আসাতিজা ও মাহফিলে আমন্ত্রিত দেশবরেণ্য উলামায়ে কেরামের হাতে বিগত দু বছরের ফারেগিন ছাত্রদের দস্তারে ফজীলত প্রদান করা হয়। এসময় আগত মেহমান ও মাহফিলের সাথে সম্পৃক্ত সবাইকে শুকরিয়া জানান মা’হাদের মুদীর মাওলানা মাহমূদুল আমীন।
এতে উপস্থিত ছিলেন মা’হাদের পরিচালনা পর্ষদ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীসহ বিভিন্ন মাদরাসার উলমা-তলাবা ও সর্বস্তরের দ্বীনদার মুসলমানগণ।
















