ইসলাম টাইমস ডেস্ক : রবিবার (১ ডিসেম্বর) পালিত হচ্ছে বিশ্ব এইডস দিবস। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ‘এইডস নির্মূলে প্রয়োজন, জনগণের অংশগ্রহণ।’ ২০৩০ সালের মধ্যে দেশ থেকে এইচআইভি নির্মূলে অংশীদারিত্ব আরও বাড়াতে হবে বলে বলছেন সংশ্লিষ্টরা। সেই সাথে এইডস রোধে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে জীবন যাপনের বিকল্প নেই বলে মনে করেন দেশের গুণী মহল।
বিশ্বজুড়ে ক্রমাগত বেড়ে চলা অ্যাকোয়ার্ড ইমমিউনো ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রোম (এইডস) রোগীর সংখ্যা বাংলাদেশেও বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধুমাত্র চট্টগ্রামেই গত একবছরে এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৭১ জন। যার মধ্যে অধিকাংশই পুরুষ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে আক্রান্ত বেশিরভাগ রোগী প্রবাসী।
প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশের তুলনায় বাংলাদেশে এইচআইভি সংক্রমণের হার তুলনামূলক কম। তবে বর্তমানে বিদেশ ফেরত কর্মীদের মাধ্যমে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আর এ জন্য বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন নারীরা। স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীদের একটি বড় অংশ প্রবাসী স্বামী বা স্বজনদের কারণে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এইডস/এসটিডি প্রোগ্রামের নানা কর্মসূচির কারণে এখনও দেশে সংক্রমণের হার ০.১ এর নিচে এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে আক্রান্তের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আছে বলে দাবি অধিদফতরের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বাস্থ্য অধিদফতরের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, অভিবাসীদের মাধ্যমে নতুন করে এইচআইভি সংক্রমণ বেড়েছে। এটা আমাদের জন্য নতুন একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, মাদক সেবনকারী এইডস আক্রান্তদের শনাক্ত করা তুলনামূলকভাবে অনেক সহজ, তবে অভিবাসীদের ক্ষেত্রে তা সম্ভব হচ্ছে না। বিদেশ ফেরত ব্যক্তিরা সারাদেশে ছড়িয়ে আছেন এবং তাদের শনাক্ত করা কঠিন। কারা, কোথায় যাচ্ছে, কারা ফিরছে– এদের সংখ্যাটা কেবল তখনই জানা যায়, যখন তারা বিভিন্ন অসুখের জন্য পরীক্ষা করাচ্ছেন।
















