ডেসটিনির রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসেনের জামিন নামঞ্জুর

ইসলাম টাইমস ডেস্ক : ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীন ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনকে জামিন দেয়নি আপিল বিভাগ। তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অর্থপাচার মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

গত রবিবার জামিন শুনানিতে ডেসটিনির আইনজীবীর কাছে আদালত জানতে চান, গাছ কোথায় গেলো? জবাবে ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি মৃদু হেসে বলেন, গাছ তো ছাগলে খেয়ে ফেলেছে! পরে তিনি বলেন, বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী অধিকাংশ গাছ কেটে নিয়েছে। যার কারণে অর্থ পরিশোধ সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের অর্থ-পাচার আইনে সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছর।

 

প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই দুদক কলাবাগান থানায় দুটি মামলা দায়ের করে। ২০১৬ সালের ১৩ নভেম্বর আপিল বিভাগ দুটি শর্তে ডেসটিনির দুই শীর্ষ ব্যক্তি এমডি রফিকুল আমীন ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনের জামিন মঞ্জুর করে।

ওই শর্তে বলা হয়েছিল, ডেসটিনির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে তাদের সৃজনকৃত বাগান থেকে ৩৫ লাখ গাছ বিক্রি করে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ছয় সপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে হবে। জমা দেওয়ার প্রমাণপত্র হলফনামা আকারে দাখিলের পর তারা জামিন পাবেন। এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে দ্বিতীয় শর্ত হিসাবে সরকারি কোষাগারে দিতে হবে নগদ ২ হাজার ৫ শত কোটি টাকা। এই দুই শর্তের একটি পূরণ করলেই তারা জামিন পাবেন। সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া ওই অর্থ ডেসটিনিতে বিনিয়োগ করে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সেসব ক্ষতিগ্রস্তর মাঝে বিতরণ করতে দুদক চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো।

গত তিন বছরেও আদালতের ওই শর্ত তারা পূরণ করতে পারেননি। ওই আদেশ সংশোধন চেয়ে আবেদন করলে ২০১৭ সালের পহেলা ডিসেম্বর তা খারিজ করে দেয় আপিল বিভাগ।

পূর্ববর্তি সংবাদজামিয়া মিল্লিয়ায় ‘পুলিশি তাণ্ডবের’ ১২ ঘণ্টা পরে
পরবর্তি সংবাদএবার জেরুজালেমে দূতাবাস স্থানান্তর করতে যাচ্ছে ব্রাজিল