ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ভারতে মুসলিমবিদ্বেষী নাগরিকত্ব আইন পাসের প্রতিবাদে সহিংসতা ক্রমেই বাড়ছে। চলমান বিক্ষোভের ফলে যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে এবার মুসলিমদের সম্পত্তি জব্দের মাধ্যমে তা পোষানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহিংসতার জন্য পরোক্ষভাবে ভারতীয় মুসলিমদেরই দায়ী করেছিলেন। সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি বলেন, ‘এসব আগুন কারা লাগাচ্ছে, সেটা তাদের পোশাক দেখলেই চেনা যায়।’
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) উত্তরপ্রদেশ সরকার ঘোষণা দিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের চিহ্নিত করে তাদের দোকানপাট ও সম্পত্তি জব্দ করা হবে। যাতে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ক্ষতি সেখান থেকে পুষিয়ে নেওয়া যায়।
এ দিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আমরা অবশ্যই প্রতিশোধ নেব। সরকারি সম্পত্তি যারা নষ্ট করেছে বা আগুন ধরিয়েছে, সকল হামলাকারীর সম্পত্তি নিলাম করে সেই অর্থ পরিশোধ করা হবে।’
অপর দিকে যোগী আদিত্যনাথের এই বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।
সংগঠনটি এক বিবৃতিতে জানায়, উত্তরপ্রদেশ সরকার মুসলিমদের বিরুদ্ধে এই ‘বদলা’ নেওয়ার কথা জানিয়েছে। যার প্রেক্ষিতে রাজ্যের মুসলিম অধ্যুষিত মুজফফর নগর জেলায় কোনো আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করেই অন্তত ৭০টির বেশি দোকান বন্ধ করা হয়। এসব দোকানপাটের প্রায় সবগুলোর মালিকই মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন।
















