‘হামলাকারী কাদিয়ানীদের দ্রুত বিচার না করলে বি.বাড়িয়া অভিমুখে লংমার্চ করা হবে’

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কান্দিরপাড়ে মাদরাসার ছাত্রদের ওপর অমুসলিম কাদিয়ানীদের সন্ত্রাসী হামলার বিচার ও কাদিয়ানিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রতিবাদ সমাবেশে মাদরাসার ছাত্রদের ওপর হামলাকারী কাদিয়ানিদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দ্রুত বিচার না করলে বি বাড়িয়া অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা দেওয়া হয়।

আজ শুক্রবার জুমার পর বায়তুল মোকাররমে খতমে নবুয়াতের সহসভাপতি আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ও কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা নুরুল ইসলামের আহবানে এই প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রতিবাদ সভায় আল্লামা বাবুনগরী বলেন, আমরা সরকারকে স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, অনতিবিলম্বে মাদরাসায় হামলাকারী কাদিয়ানিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করুন। নতুবা সারাদেশে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করা হবে। আর সে আন্দোলন আইন শৃঙ্খলা বাহীনির নিয়ন্ত্রনের বাহিরে গেলে তার দায়-দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মিথ্যা নবুওয়ত দাবিদার মুসাইলামাতুল কাজ্জাবের বিরুদ্ধে সংগঠিত ইয়ামামার যুদ্ধে বারো জন সাহাবী শহিদ হয়েছিলেন। তাদের রক্তের বিনিময়ে আকিদায়ে খতমে নবুওয়ত হেফাজত হয়েছিলো। বাংলাদেশেও কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষনার দাবি আদায় করতে হলে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতে হবে।

এসময় অন্য বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশ। এ দেশের মুসলমানগণ বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিজেদের প্রাণের চেয়েও বেশি মুহাব্বাত করেন৷ বিশ্বনবী (সা.) এর রিসালতকে অস্বীকারকারী কাদিয়ানী অমুসলিমদের আস্ফালন এদেশের ধর্মপ্রাণ তৌহিদি জনতা মেনে নেবে না।

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ। গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে এদেশের হিন্দুরা হিন্দু নামে, বৌদ্ধরা বৌদ্ধ নামে এবং খ্রিস্টানরা খ্রিস্টান নামে তাদের ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করছে৷ কিন্তু কাদিয়ানী অমুসলিমরা মুসলমান নাম ধারণ করে সরলমনা সাধারণ মুসলমানদের ধোঁকা দিয়ে ঈমানবিধ্বংসী কার্যক্রম পরিচালনা করছে৷ যা ইসলাম ধর্মের নামে অপপ্রচারের শামিল। তা কখনো মেনে নেওয়া যায় না।

প্রতিবাদ সভায় আরও বক্তব্য দেন, মুফতি নুরুল আমিন, আহমদ আলী কাসেমী, ফজলুল করিম কাসেমী, মাওলানা শাহ সাইফুল্লাহ সিদ্দীকী (পীর ছারছিনা), মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মাওলানা মুসা বিন ইজহার, মাওলানা অধ্যাপক আবদুল করিম, মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সোবহানী, মাওলানা রাশেদ বিন নুর, আবদুল গাফফার প্রমুখ।

পূর্ববর্তি সংবাদচলমান অস্থিরতার মধ্যেই কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০ বছর পূর্তি উদযাপন করতে যাচ্ছে ভারত-ইরান
পরবর্তি সংবাদইভিএম নিঃশব্দে ভোট চুরির প্রকল্প : আমীর খসরু