বার্লিন কনফারেন্স কি লিবিয়া সঙ্কট সমাধানে সমর্থ হবে?

তারিক মুজিব ।।

সম্প্রতি রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে লিবিয়ার যুদ্ধ বিরতির উদ্যোগ ভেস্তে গেছে। জেনারেল হাফতার যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে সই করেননি। ফলে লিবিয়ার গৃহযুদ্ধ বিরতি নিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের তোরজোর কোনো ফলে পৌঁছুতে পারেনি।

এদিকে আগামীকাল রবিবার ১৯ জানুয়ারি জার্মানির রাজধানী বার্লিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক বার্লিন কনফারেন্স। কনফারেন্সে লিবিয়া গৃহযুদ্ধ বিষয়ক কোনো সমঝোতা হতে পারে। বার্লিন কনফারেন্সকে কেন্দ্র করে জার্মানি দীর্ঘদিন যাবৎ এ প্রচেষ্টা করে আসছে। লিবিয়ার জনগণও এ কনফারেন্সের দিকে তাকিয়ে আছে।

লিবিয়ার জাতিসংঘ সমর্থিত সরকার প্রধান ফাইয়াজ আল সারাজ, দেশটির প্রধান বিদ্রোহী নেতা খলিফা হাফতার তুরস্ক, রাশিয়া, ফ্রান্স, ইটালির সাথে বার্লিন কনফারেন্সে যোগ দিতে যাচ্ছে।

তবে বার্লিন কনফারেন্স কি আসলে লিবিয়া সঙ্কটের সমাধান করতে সমর্থ হবে। এ নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা সংশয়। নানা ঘটনা প্রবাহের বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো আগামীকালের কনফারেন্স নিয়ে বিভিন্ন এনালাইসিস প্রকাশ করছে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের অনেকগুলো চোঁখ বার্লিন কনফারেন্সের দিকে দৃষ্টি ফিরিয়ে রেখেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও ঘটনা প্রবাহের পর্যবেক্ষণ করছে। তবে লিবিয়া যুদ্ধের সমীকরণ এত জটিল যে, কনফারেন্স থেকে বড় কিছু আশা করা যাচ্ছে না।

তুরস্ক ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদুলু এজেন্সির প্রকাশিত এনালাইসিসে বলা হয়েছে- দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী যে যুদ্ধ-যেখানে অনেকগুলো পক্ষ নানাপ্রকার স্বার্থ নিয়ে জড়িয়ে আছে- বার্লিন কনফারেন্সের মাধ্যমে তার সমাধান যথেষ্ট সংশয়পূর্ণ।

জেনারেল হাফতারের বাহিনী এখন ত্রিপলিতে অবস্থান করছে। ত্রিপলির বর্তমান পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ।

এদিকে খলিফা হাফতারকে সমর্থন দিয়েছে আরব আমিরাত মিসরসহ অনেকগুলো পক্ষ। অপরদিকে দেশটিতে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের সমর্থনে আছে তুরস্ক, রাশিয়া জোট।

বার্লিন কনফারেন্সে লিবিয়া সঙ্কটের সমাধান হওয়া নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও মানুষ অপেক্ষা করে আছে- কালকে কী সিদ্ধান্ত হয় তা দেখার জন্যে।

পূর্ববর্তি সংবাদঅবশেষে তারিখ পিছিয়ে ভোট ১ ফেব্রুয়ারি , এসএসসি পরীক্ষা শুরু ৩ ফেব্রুয়ারি
পরবর্তি সংবাদসাদপন্থীদের ইজতেমায় মাদরাসা ছাত্রকে নাজেহাল, সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও