ইজতেমায়‌ মাদরাসাছাত্রদের হয়রানি : এতাতিদের আলেম বিদ্বেষের আরেক প্রমাণ

মুফতি সাখাওয়াত হুসাইন রাজি ।।

‘ওই জুতা চোর গুলো কই, হেফাজতের দুইজন জঙ্গি এসেছে, কওমী মাদ্রাসা থেকে এসেছে ধর।’ এসব কথা দাওয়াত ও তাবলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত কেউ বলতে পারে না। আজকে স্পষ্ট হয়ে গেছে এতাতের নামে কতগুলো আলেম বিদ্বেষী বাংলাদেশ থেকে দাওয়াত ও তাবলীগ এবং ইসলামকে ধ্বংস করার জন্য টঙ্গীর তুরাগ তীরে জমা হয়েছে। তারা ইহুদীদের টাকায় এ মিশন বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছে।

যেদিন তারা তুরাগ তীরে ওলামা ও ছাত্রদের রক্ত ঝরিয়েছে সেদিন মনে হয়েছিল তারা ক্ষুব্ধ হয়েই এমন কাজ করেছে; কিন্তু আজ স্পষ্ট হয়ে গেছে যে তারা পরিকল্পিত ভাবেই আলেম-ওলামা ও তাবলীগের সাধারণ সাথীদের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছে। তারা এখন আলেম-ওলামা দেখলেই হিংস্র হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ছে। কাফের বেইমান নাস্তিক-মুরতাদরা আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে যে ধরনের শব্দ ব্যবহার করছে তারা সেই শব্দই ব্যবহার করছে।

যুগ যুগ ধরেই মুসলমানদের মধ্যে পরস্পরে এখতেলাফ হয়েছে। তাদের আচরণ থেকে বুঝা যাচ্ছে এই এখতেলাফ সেই এখতেলাফ নয়। সে এখতেলাফ ছিল দ্বীনের স্বার্থে নানা ভুল বুঝাবুঝির কারণে। তাই আজকে কাদিয়ানী সাদিয়ানি গ্রুপের সঙ্গে একসঙ্গে লড়াই করতে হবে।

আমরা যতটা তাদের প্রতি সহনশীল তারা ততটাই আমাদের প্রতি উগ্র আচরণ করছে। আমরা যতটাই তাদের প্রতি হেদায়েতের আশা রাখছি তারা ততটাই হেদায়াতের পথ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এতাতি সন্ত্রাসীদের ধোকা ও প্রচারণায় বিভ্রান্ত হয়ে সাধারণ সাথীদের মধ্য থেকে যারা এখনও তাদের সঙ্গে আছেন তাদের কি এখনো চিন্তা করার সুযোগ হয়নি? তারা কি তারপরেও সুন্দর ও সত্যের পথে ফিরে আসবেনা?

লেখকের ফেইসবুক পেইজ থেকে নেয়া

পূর্ববর্তি সংবাদআহ! উস্তাযে মুহতারাম বুরহানুদ্দীন সাম্ভলী রহ.
পরবর্তি সংবাদসংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়: প্রধানমন্ত্রী