ইসলাম টাইমস ডেস্ক: করোনা পরিস্থিতিতে সব কিছু বন্ধ থাকলেও গার্মেন্টস খোলার পর ঠাসাঠাসি করে ঢাকা ফেরত গার্মেন্টস কর্মীদের ব্যাপারে প্রশাসন চুপ থাকলেও পরিস্থিতির শিকার হয়ে ভোলায় আটকে যাওয়া টাঙ্গাইলের অধিবাসী তাবলিগ জামাতের ৭০ ও অন্য যাত্রী মিলিয়ে ১৩০ যাত্রীসহ ৪ চালককে আটক করেছে নৌ-বাহিনী ।এ সময় ৪টি গণপরিবহনও আটক করা হয়।
শনিবার বোরহানউদ্দিন উপজেলার ডাইভারশন রোডে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, তাবলিগ জামাতের যে ৭০ জন যাত্রীকে আটক করা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। সরকার ঘোষিত ছুটি ও গণপরিবহন বন্ধ থাকায় এতো দিন তারা চরফ্যাশনের বিভিন্ন মসজিদে আটকে পড়ে ছিলেন । এদিন সেখান থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার সময় তাদের আটক করা হয়।
সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই গতকাল দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে গার্মেন্টস কর্মীরা ঢাকায় আসার পথে গাড়ি চালক ও গার্মেন্টস কর্মীদের ব্যাপারে প্রশাসন নিরব থাকলেও অঘোষিত লকডাউনের কারনে ভোলায় আটকে পড়া তাবলিগী সাথীদের আটক করার ব্যাপারে পল্লবীর তাবলিগ জামাতের সাথী প্রকৌশলী আহনাফ বলেন, করোনা ঝুঁকির মধ্যেই গাদাগাদি করে ঢাকা ছাড়ল শ্রমিকরা, আবার গাদাগাদি করে তাদের রাজধানীতে ফেরায় এখন অনিশ্চিত ঝুঁকির মুখে দেশ। এই ঝুঁকি এড়াতে প্রশাসনের কোন ভূমিকা দেখা যায়নি। এদিকে পরিস্থিতির শিকার হয়ে অন্য এলাকায় আটকে পড়া তাবলিগী সাথীরা নিজেদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পথে বাধাগ্রস্থ হচ্ছেন এটা দুঃখজনক।
ভোলা নৌ-কন্টিনজেন্টের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার নুর মোহাম্মদ জানান, পরবর্তীতে অবশ্য সব যাত্রীকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এ সময় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গণপরিবহনে এভাবে চলাচল দেশের জন্য অত্যন্ত ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি ডেকে আনবে বলে সবাইকে সতর্ক করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বশির গাজী বলেন, আটকের পর ৪ ড্রাইভারকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এর মধ্যে বাস ড্রাইভার জহিরকে ১০ হাজার, শাহে আলমকে ১০ হাজার, মাইক্রেবাসের ড্রাইভার আলমগীরকে ৫ হাজার ও আলী আকবরকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। টাকা পরিশোধ করায় তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
















