ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ঠাকুরগাঁওয়ে মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৩ জন। এ ঘটনার পর ঠাকুরগাঁও শহর গতকাল শনিবার রাত ৯টায় লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
লকডাউন কার্যকর হওয়ার পরও প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে মাইক্রোবাস প্রবেশের সময় সড়ক দুর্ঘটনা শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে প্রায় ৬ জন যাত্রী।
রবিবার (১২ এপ্রিল) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে সদর উপজেলার খোঁচাবাড়ি-বলাকা উদ্যানের মধ্যবর্তী স্থানে ঢাকা-ঠাকুরগাঁও মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। আহত গার্মেন্টস শ্রমিকদের সবারই সর্দি-কাশি আছে বলে জানায় হাসপাতাল সূত্র।
পুলিশ, ফায়ার ব্রিগেড ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ঢাকা থেকে আসা একটা দ্রুতগতির মাইক্রোর গতিরোধ করেন গত রাত থেকে লকডাউনের ডিউটিরত টহল পুলিশ। এ সময় পেছন থেকে আসা ট্রাকের ধাক্কায় মাইক্রোটি উল্টে খাদে পড়ে যায়। ট্রাকটি রাস্তার পাশের গাছের সাথে ধাক্কা খেলে ট্রাকের ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়ে ট্রাকের ভেতরে আটকা পড়েন। পরে ফায়ার ব্রিগেডের কর্মীরা এসে আহতদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে পাঠায়।
স্থানীয় ইয়াসিন মিলন, নুরল, মোজাম্মেল জানান, যেখানে ঢাকা থেকে পালিয়ে আসা গার্মেন্টস শ্রমিকদের মাধ্যমেই ঠাকুরগাঁওয়ে ৩ জন করোনা রোগী ধরা পড়লো, সেখানে এতো লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে গাড়িগুলো কিভাবে এখনো ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁওয়ে ঢুকতে পারছে?
ঠাকুরগাঁও সদর থানার সাব ইন্সপেক্টর রুহুল আমিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন তবে তিনি আহতদের নাম বলতে পারেননি।
এদিকে আহতদের ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত গার্মেন্টস শ্রমিকদের সবারই সর্দি-কাশি আছে বলে জানায় হাসপাতাল সূত্র। বাকিদের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ট্রেনিং সেন্টারে নির্মিত প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের সিনিয়র মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. তোজাম্মেল হকের তত্বাবধানে এদের রাখা হয়েছে। ডা. তোজাম্মেল হক টেলিফোনে জানান, শ্রমিকদের মধ্যে একজনের করোনার লক্ষণ আছে। এদের নমুনা নিয়ে রংপুরে পাঠানো হবে।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি তানভীরুল ইসলাম ও ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কামরুজ্জামান সেলিম মোবাইল ফোন রিসিভ করেনি।
















