সামিউল ইসলাম জাহাঙ্গীর।।
ফসলের মাঠজুড়ে দক্ষিণা বাতাসে ঢেউ খেলছে কৃষকের স্বপ্ন -‘বোরো ধান’ । অর্থ- শ্রম দিয়ে চৈত্রের প্রচন্ড খড়তাপেও সজিব রেখেছে কৃষক এই স্বপ্নগুলো। ফসল ঘরে তোলার অপেক্ষার প্রহর গুনছেন কৃষক-কৃষাণীরা। পাকা ধানের সোনালি শীষ কৃষকের চোখ শীতল করলেও কপালে ফেলেছে চিন্তার ভাঁজ।সদা আতঙ্ক দুশ্চিন্তায় কাটছে কৃষকের দিন রাত ।
ফসল ঘরে তোলার সময় ঘনিয়ে এসেছে ,পাকতে শুরু করেছে ধানের থোর । বৈশাখের প্রথম সপ্তাহ থেকেই কাটতে হবে ধান । কিন্তু বর্তমান করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরিস্থিতিতে কৃষক-শ্রমিকসহ সবাই ঘরে অবস্থান করছে। ‘এ অবস্থায় শ্রমিক সংকট দেখা দিতে পারে।সময়মতো সোনালি ফসল ঘরে তুলতে না পারলে মাঠেই রোদ- বৃষ্টিতে খুইয়ে যেতে পারে ফসল’ – এমন আশঙ্কা করছেন কৃষক।
অন্য দিকে যাদের ফসলি জমি কম । নিজারাই নিজেদের ফসল কেটে ঘরে তুলতে পারবে ,তারাও হাট- বাজার বন্ধ থাকায় ধান বিক্রি না হওয়ার আশঙ্কায় ভুগছেন ।এমনিতেই আমন ধান থেকে পাওয়া সব অর্থ ঢেলে দিয়েছেন বোরো ধান আবাদে । চৈত্র মাসটা তাদের কাটাতে হয় ঋণ করে একধরনের নিঃস্ব হয়ে।
এমন অভাব অনটনের মাঝে ধান বিক্রি না হলে করোনার বিপরীতে অভাবই মৃত্যুদূত হয়ে দেখা দিবে কৃষকের জীবনে। এক্ষেত্রে কৃষকের প্রতি সরকার প্রধানের বিশেষ দৃষ্টি ফোটাতে পারে কৃষকের মুখের হাসি।
লেখক: শিক্ষার্থী জামিয়া হুসাইনিয়া ইসলামিয়া আরজাবাদ মাদরাসা, ঢাকা।
















