কুলাউড়ায় মানুষের মধ্যে নেই সচেতনতা, মানছেন না লকডাউন

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে সোমবার (১৩ এপ্রিল) মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন এক গণবিজ্ঞপ্তিতে যানবাহন ও সাধারণ মানুষের অবাধে প্রবেশ এবং গমন ঠেকাতে অবরুদ্ধ (লকডাউন) বিকাল ৫ টা হতে জেলাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরুদ্ধ ঘোষণা করেন।

কিন্তু লকডাউন অমান্য করে জেলার উপজেলায় সড়কে ভিড় জামাচ্ছে মানুষজন। সড়কে চলছে রিকশা, অটো রিকশা ও প্রাইভেট যানবাহন। নানা অজুহাতে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে হর হামেশাই সাধারণ মানুষ রাস্তা চলে আসছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে কুলাউড়া শহর ও বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, লকডাউন গণবিজ্ঞপ্তিতে যে সকল আদেশ দেয়া হয়েছে তা অমান্য করেই সড়কে যানবাহন চলাচল করছে। সড়কে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় নিন্মআয়ের মানুষজনকে।

তারা বলেন, অভাবের তাড়নায় বাড়ি থেকে বের হয়েছি। আমরা গরিব মানুষ। কাম না করলে খামু কি। তাই বাধ্য হয়েই কাজে আসি। মইরা গেলে তো কথাই নাই। বাঁইচা থাকলে তো খাইতে হইবো।

এদিকে লকডাউন সঠিকভাবে পালনে কঠোর হয়েছে কুলাউড়া থানা পুলিশ। মোড়ে মোড়ে টহল বাড়ানোর পাশাপাশি যানবাহন আটকে দেয়া হচ্ছে। কোথাও কোথাও আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন ও সেনা সদস্যরা টহল দিয়ে বেড়াচ্ছেন।

এ বিষয়ে কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়ারদৌস হাসান বলেন, মানুষকে ঘরে রাখতে পুলিশের পক্ষ থেকে সবোর্চ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। যারা মানছে না, তাঁদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হচ্ছে। তিনি অপ্রয়োজনে কাউকে বাহিরে ঘুরাঘুরি না করার অনুরোধ জানান।

উল্লেখ্য, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে তার কার্যালয়ে জেলাকে লকডাউনের ঘোষণা প্রদান করেন।

পূর্ববর্তি সংবাদব্রাহ্মণবাড়িয়ার পা হারানো সেই মোবারকের মৃত্যু
পরবর্তি সংবাদমসজিদ খুলে দেয়ার আহ্বান : শীর্ষ ১৫ আলেমের সমর্থনে বিশিষ্ট ৭০ আলেমের বিবৃতি