বাজারে নকল স্যানিটাইজার: ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

ছবি: সংগৃহীত

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ইথানল-মিথানল অ্যালকোহলের সঙ্গে কাপড়ের রঙ মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে মানহীন স্যানিটাইজার। মিডফোর্ডের নানা দোকানে এসব তৈরি হলেও, নেই ল্যাব বা কেমিস্ট। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে করোনাভাইরাস সুরক্ষা তো মিলবেই না, উল্টো ঝুঁকির মুখে পড়বে জনস্বাস্থ্য। এ অবস্থায় অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদারের কথা জানিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

মিডফোর্ড এলাকার একজন কেমিক্যাল ব্যবসায়ী, করোনার এই দুঃসময়ে তৈরি করছেন মানহীন হ্যান্ড স্যানিটাইজার। এতে ইথানল-মিথানল অ্যালকোহলের সঙ্গে মেশাচ্ছেন কাপড়ে দেয়ার রং। সাংবাদিক দেখে দোকান ফেলে দৌড়ে পালায় মালিকসহ তার কর্মচারীরাও।

পাশের দোকানের চিত্রও একই। প্রথমে অস্বীকার করলেও, পরে স্যানিটাইজার তৈরির উপকরণ দেখালে, পালিয়ে যান আরেক ব্যবসায়ী।

চাহিদা থাকায় মিডফোর্ডের অনেক ক্যামিক্যাল ব্যবসায়ীই রাতারাতি বনে গেছেন স্যানিটাইজার প্রস্তুতকারক। কারোরই নেই ল্যাব বা কেমিস্ট। এমনকি আইসো প্রোপাইল অ্যালকোহল, হাইড্রোজেন পারক্সাইড ও গ্লিসারলের মিশ্রণের নেই কোনো মাপজোক। বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা লিটার। তোপখানা রোডে রেস্টুরেন্ট বন্ধ রেখে বিক্রি হচ্ছে স্যানিটাইজার, নকল স্যাভলন।

মিডফোর্ডের স্যানিটাইজার তৈরির অ্যালকোহলে ভেজাল পেয়েছে বুয়েটের কেমিক্যাল বিভাগ। তারা বলছেন, এসব স্যানিটাইজারে করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষার ক্ষমতা নেই।

বাণিজ্যিকভাবে স্যানিটাইজার বিক্রির জন্য অনুমতি নিতে হয় ওষুধ প্রশাসনের। বোতলের গায়ে লেখা থাকতে হয় উপরণের মাত্রা। এসব না থাকলেও নজরদারি নেই ওষুধ প্রশাসনের।

এদিকে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করোনাভাইরাস সুরক্ষা পেতে সবচেয়ে ভালো কাজ করে সাবান পানি। তাই সবক্ষেত্রেই স্যানিটাইজার ব্যবহার প্রয়োজন নেই।

পূর্ববর্তি সংবাদকরোনার কারণে দলের কেউ মারা গেলেও সান্তনা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছি না: প্রধানমন্ত্রী
পরবর্তি সংবাদ৩০ জুন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ছে!