টাকা দিলেই মিলছে করোনার নেগেটিভ কিংবা পজিটিভের ভুয়া সনদ!

টাকা দিয়ে করোনার নেগেটিভ কিংবা পজিটিভের জাল সনদ বিক্রেতা প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য আটক। ছবি:সংগৃহীত

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: রাজধানীতে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকায় মিলছে করোনার নেগেটিভ কিংবা পজিটিভের জাল সনদ। রাজধানীর মুগদা এলাকা থেকে এমনি এক প্রতারক চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশের এলিট ফোর্স র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

সোমবার (১৫ মে) সকালে উত্তর মুগদা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে র‍্যাব-৩ এর একটি দল। এসময় বিপুল পরিমাণ ভুয়া সনদ ও সনদ তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

করোনায় মহামারিতে যখন অসহায় নগরবাসী, তখন ফায়দা লুটতে ব্যস্ত কিছু মানুষ। মুগদা এলাকায় ছোট্ট একটি স্টুডিও। যেখানে চলে ফটোকপির কাজও। এরই আড়ালে চলছে, করোনা পরীক্ষার জাল সনদ বেচাকেনার রমরমা ব্যবসা।

মাত্র পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকায়, নেগেটিভ কিংবা পজিটিভ ফলের সনদ দিচ্ছিলেন দোকানের ৪ কর্মী। খবর পেয়ে আজ সোমবার অভিযান চালায় র‍্যাব। গ্রেপ্তার করে তাদের।

বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব-৩ এর অতিরিক্ত এসপি ফাইজুল ইসলাম বলেন, চক্রটি মুগদা হাসপাতাল থেকে দেয়া করোনা রোগীর করোনা পজিটিভ রিপোর্টের কপি সংগ্রহ করে তা স্ক্যান করে সেখানে নাম বসিয়ে বিক্রি করছে। যাদের নেগেটিভ রিপোর্ট দরকার তাদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ভুয়া করোনার সনদ তৈরি করে বিক্রি করে আসছিল।

আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিকেলে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে বলে র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ৪ জুন করোনা নেগেটিভের জাল সনদ বিক্রির দায়ে সাভার থেকে দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়।

এদের মধ্যে সাঈদ মিয়া নামে এক যুবক সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সায়েমুল হুদার স্বাক্ষর ও সিল জাল করে করোনা পরীক্ষার ভুয়া প্রত্যয়নপত্র বিক্রি করছিলেন।

এ ঘটনায় সাঈদ মিয়া ও তার সহযোগীকে পুলিশে সোপর্দ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে মালয়েশিয়ায় করোনার নেগেটিভ রিপোর্টের জাল সনদ বিক্রির ঘটনায় দুই দফায় মোট ৫ বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ।

পূর্ববর্তি সংবাদএমপি পাপুলের নতুন নতুন রহস্য উন্মোচিত হচ্ছে
পরবর্তি সংবাদআবারও ফিরছে অঘোষিত লকডাউন