ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ছয় বছর টানা যুদ্ধের পরও সোমালি শরণার্থী বদর হাসান ভেবেছিল, ইয়েমেনে বুঝি তার সুদিন আসবে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের মহামারি এবার তার এই অনিশ্চিত জীবনেরও ইতি টেনে দিচ্ছে। এখন সে ইয়েমেন থেকে চলে যেতে চায়।
‘সানায় আমি, আমার স্ত্রী, আমার সন্তান চায় অন্যদের মত সুন্দর জায়গায় থাকতে।’ বলে সোমালিয়ায় জন্মগ্রহণকারী (৩২) বদর।
শরণার্থী হিসাবে সে তেমন কোনো সাহায্য সহযোগিতা পেত না । জীবীকার তাগাদায় ছোট বয়সেই পড়া লেখা ছেড়ে দিয়েছিল। এখন সে রাস্তায় গাড়ি মুছে।
‘এখন আমরা কিভাবে থাকব, করোনা মাহামারিতে তো আমাদের গাড়ি মোছার পেশাটাও বন্ধ।’
ইয়েমেন এখন শরণার্থীদের দেশ। দেশের আশি ভাগ নাগরিক মানবিস সাহায্য সহযোগিতার উপর নির্ভরশীল। ছয় বছর একটানা যুদ্ধ দেশের প্রতি ৮জনের ১জনকে শরণার্থী বানিয়ে দিয়েছে। সেখানে প্রায় ৩লাখ বিদেশী শরণার্থীও বাস করে, যাদের অধিকাংশ সোমালিয়ার শরণার্থী। এদের পাশপাশি প্রতি বছর যুক্ত হয় সাগর পথে প্রায় আরও এক লাখ শরণার্থী। সব মিলিয়ে ইয়েমেনে করোনা পরিস্থিতির কারণে শরণার্থীদের অবস্থা করুণ।
















