ইসলাম টাইমস ডেস্ক: বৈশ্বিক মহামারিতে মারা যাচ্ছেন অনেক মানুষ। আবার অনেকে না মরলেও ভুগছেন অর্থ কষ্টে। আর এই কষ্টের কথা বলাটা নিম্নবিত্তের জন্য সহজ হলেও, মধ্যবিত্তের জন্য তৈরি করে অন্তর্জ্বালা। যা সইতে না পেরে এই নিষ্ঠুর নগরী ছেড়ে গাঁয়ের পথে পাড়ি জমাচ্ছে অনেক পরিবার।
ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম, নিজের কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন। কান্না সইতে না পেরে ঢাল হয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন, ফাতেমা বেগমের বাড়িওয়ালা দেলোয়ার হোসেন।
মধ্যবিত্ত জীবন নিয়ে সবচেয়ে প্রচলিত বাক্য- “না পারে কইতে, না পারে সইতে।” তাইতো হাজারো কষ্ট চাপা পরিবহন খাতে কর্মরত এই কর্মীর বুকে। মহামারীতে কমেছে আয়, কিন্তু খাবার জোগাতে হয় ১০ জনের। আয় কমায় ঘর ভাড়ার দায় মেটাতে বিকল্প ভাবছেন এমন অনেকে।
করোনাকালের এই নিষ্ঠুর বাস্তবতায় নগরীতে বেড়েছে টু-লেটের বিজ্ঞাপন। তবে যে সব বাড়িওয়ালা শুধু ঘর ভাড়ার টাকায় চলেন, তারাও আছেন বিপদে। এই যেমন চাকরিতে ছাঁটাই হবার পর ঘর ভাড়াও বন্ধ, রাশিকদের।
গবেষকদের দাবি, এই মহামারীতে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষের চাকরি ঝুঁকিতে পড়েছে।
সত্যিই আয় কমে কমে মানুষ বড় কষ্ট আছে, শহর ছেড়ে গ্রামে যাচ্ছে। না বলতে পারা জীবনেও আছে বাঁচার তাগিদ, তবে অজানা ভবিষ্যতের কাঙ্খিত আলোর মুখ দেখতে পাবে কি তারা ?
















