তারিক মুজিব ।।
জর্ডান ভ্যালি দখলের প্রক্রিয়া ইসরায়েল চালাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরেই। কাগজে কলমে কাজ প্রায় সম্পন্ন করে ফেলেছে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ডিল অব দ্যা সেঞ্চুরিতে উল্লেখ করা হয়েছে জর্ডান ভ্যালি ইসরায়েলের দখলে থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়ার পর নতুন ভূমি দখল করতে ইসরায়েলের আর কী বাকি থাকে!
দখলদার অবৈধ রাষ্ট্রটি তখন থেকে আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। ভৌগলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ অঞ্চলটি দখলে সন্ত্রাসাবাদী রাষ্ট্রটি মরিয়া হয়ে উঠেছে। গত কয়েকদিনে কয়েকশো’র বেশি দোকান, বাড়ি এবং অন্যান্য স্থাপনা বোলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

শুরু থেকেই ট্রাম্পের ‘শান্তিচুক্তি’ প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিনিরা। জর্ডান ভ্যালি তারা কিছুতেই হাতছাড়া করবে না। জানুয়ারিতে বড় ধরনের প্রতিবাদ সমাবেশ এবং আন্দোলনও করেছে। পরে করোনার সংক্রমণ দেখা দিলে আন্দোলন স্থগিত করা হয়।
এদিকে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো আন্দোলনে নামছে ফিলিস্তিনিরা। গত বুধবার জর্ডান ভ্যালিতে দ্বিতীয় ফিলিস্তিনি জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ ইশতিয়াহসহ অন্য মন্ত্রীরাও উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলন থেকে সন্ত্রাসবাদী ইসরায়েলকে অবিলম্বে দখল প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। জর্ডান ভ্যালির সম্মেলনে যোগ দিতে আসা প্রতিবাদকারীরা পথিমধ্যে বিক্ষোভ করে। এসময়ও বিক্ষোভকারীদের ওপর ইসরায়েলি সেনাদের হামলা করতে দেখা যায়।
















